Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেমারির কৃষক বাজারে ধান কেনার কাজ খতিয়ে দেখলেন জেলাশাসক

মেমারির কৃষক বাজারে ধান কেনার কাজ খতিয়ে দেখলেন জেলাশাসক
  • ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: নিয়ম মেনে চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ক্যাম্পে গেলেন খোদ জেলাশাসক আয়েশা রানি এ। বুধবার তিনি মেমারি-১ ব্লকের কৃষক বাজারে যান। তিনি ক্যাম্পের কর্মী ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। জেলাশাসক বলেন, ভালোভাবেই ধান কেনা চলছে। ধান কেনা নিয়ে চাষিদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কিনা তা তাঁদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর ক্যাম্প বাড়ানো হয়েছে। ক্রয় কেন্দ্রগুলি আগেই চালু হয়েছে। অন্যান্য সংস্থাগুলিও ধান কিনতে শুরু করেছে। গতবছর ধান কেনার নিরিখে পূর্ব বর্ধমান প্রথম স্থানে ছিল। এবারও সেই জায়গা ধরে রাখতে প্রশাসন চেষ্টা চালাচ্ছে। চাষিদের দাবি, ক্যাম্পের সংখ্যা আরও বাড়ানো দরকার। প্রতিটি পঞ্চায়েতপিছু একাধিক ক্যাম্প করা হলে চাষিরা উপকৃত হবেন। ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গেই আলু চাষ শুরু করতে হয়েছে। অন্যান্য শস্য চাষের প্রস্তুতি চলছে। এই সময় দূরে ক্যাম্পে গিয়ে ধান বিক্রি করার সময় চাষিদের হাতে থাকে না। 
Advertisement
এক আধিকারিক বলেন, বহু চাষিই ধান বিক্রির জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। তাঁদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা দেখার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে কমিটি তৈরি করা হয়েছে। সেই কমিটি সবসময় নজর রাখছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও অভিযান চালাচ্ছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দালালরাজ বন্ধ করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। তারা যাতে কাম্পে কোনওভাবে সুবিধা না নিতে পারে তা দেখার জন্য বলা হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ গুফরানা ইয়াসমিন বলেন, কোথাও সমস্যা হলে চাষিরা সরাসরি খাদ্যদপ্তরে অভিযোগ করতে পারেন। ধলতার নামে ধান বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অনেক সময় অভিযোগ ওঠে। অকারণে চাষিদের হয়রানি করা যাবে না। তবে চাষিদেরও ধানের মান ঠিক রাখতে হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ