নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: বিবাদী পক্ষের কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল আদালতের নোটিস। কিন্তু তাঁর ঠিকানায় নাকি কোনও নোটিস পৌঁছায়নি। অথচ নোটিসের রিসিভিংয়ে বা প্রাপ্তিস্বীকারে রয়েছে বিবাদী পক্ষের টিপসই। যদিও বিবাদী পক্ষ কোনও নোটিস হাতে পাননি। তবে ওই নোটিসের প্রাপ্তিস্বীকারে টিপসই কার? এহেন অভিযোগ তুলে পাল্টা মামলা দায়ের হল রানাঘাট আদালতে। কারণ নোটিস না পাওয়ায় শুনানি চলাকালীন আদালতে হাজির হতে পারেননি বিবাদী পক্ষ। ফলে একতরফাভাবেই সেই মামলায় জিতে যায় বাদীপক্ষ। তারপরেই গোটা বিষয়টি সামনে আসে। বুধবার বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় রানাঘাট আদালতে।।
Advertisement
মূল মামলাটি দায়ের হয়েছিল ২০২০ সালে। হাঁসখালি থানার গাড়াপোঁতা গ্রামের বাসিন্দা অজয় বিশ্বাস একটি মামলা দায়ের করেন রানাঘাট আদালতে। প্রতিবেশী সুভাষচন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রিয়েম্পশনের(প্রতিবেশী হিসেবে জমি কেনার অগ্রাধিকার) মামলা করেন।। আর ২০২৩ সালে একতরফা ওই মামলার রায় ঘোষণা হয়। কারণ বিবাদী পক্ষের কোনও আইনজীবী আদালতে হাজির ছিলেন না সওয়াল করার জন্য। মামলা জেতার পর, অজয়বাবু যে জমি নিয়ে মামলা করেছিলেন সেটির দখল নিতে যান। আর তখনই মামলার কথা জানতে পারেন বিবাদী পক্ষ সুভাষচন্দ্র বিশ্বাস। কারণ তিন বছর ধরে মামলা চললেও তিনি নাকি আদালতের তরফে কোনও নোটিসই পাননি! অজয়বাবু জমি দখল করতে গেলে তবেই তিনি জানতে পারেন, আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। আর সেই মামলায় তিনি পরাজিত হয়েছেন।
এরপর সুভাষবাবু আইনজীবীর মাধ্যমে রানাঘাট আদালতে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, মামলা হওয়ার পর ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসেই তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ওই নোটিস নিয়ে গিয়েছিলেন আদালতের কর্মী(প্রসেস সার্ভার) কিশলয় সরকার। নথি অনুযায়ী, সেই নোটিস তিনি ধরিয়েছেন এবং প্রাপ্তিস্বীকারে সুভাষবাবুর টিপসই নিয়েছেন। অথচ এমন কোনও নোটিসের কথা জানেনই না সুভাষবাবু। ফলে একের পর এক শুনানির তারিখ পড়লেও তিনি আদালতে হাজির হতেই পারেননি। বিনা বাধায় মামলা জিতে যায় বাদীপক্ষ।
এবার ওই আদেশ রদ করার আর্জি জানিয়ে পাল্টা মামলা দায়ের করেন সুভাষবাবু। তাতে অজয়বাবুর পাশাপাশি নাম রাখা হয়েছে আদালতের ওই কর্মী কিশলয় সরকারেরও। তাঁর দাবি, নোটিসের প্রাপ্তিস্বীকারে যে টিপসই রয়েছে সেটি তাঁর নয়। তিনি সই করতে পারেন। তাই টিপসই দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাছাড়া, তিনি আদালতের কাছে আর্জি জানান, যেন তাঁর টিপসই এবং নোটিসে থাকা টিপসই ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠিয়ে যাচাই করানো হয়। সুভাষচন্দ্রবাবুর অভিযোগ, মামলা জেতার জন্য অজয়বাবু আদালত কর্মী কিশলয় সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেছেন। তাই নোটিস না পাঠিয়েই একটি টিপসই বসেছে প্রাপ্তিস্বীকারে।
বিষয়টি নিয়ে সুভাষবাবুর আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস বলেন, যে সময় মামলা হয়েছিল, তখন আমার মক্কেল কর্মসূত্রে দেশের বাইরে ছিলেন। বুধবার আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছি, যেন ওই টিপসই যাচাই করে দেখা হয়। পাল্টা অজয় বিশ্বাসের আইনজীবী সুমন রায় বলেন, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আদালত কর্মীর সঙ্গে যোগসাজসের প্রশ্নই আসে না। এভাবে কখনও মামলা জেতা যায় না। আদালত কর্মী কিশলয় সরকারের সঙ্গে কথা বলার জন্য অফিসে গিয়েও তাঁর দেখা পাওয়া যায়নি। তাঁর সহকর্মীরা যোগাযোগের জন্য তাঁর মোবাইল নম্বর দিতেও অস্বীকার করেন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও তাঁকে অফিসে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এরপর সুভাষবাবু আইনজীবীর মাধ্যমে রানাঘাট আদালতে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, মামলা হওয়ার পর ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসেই তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ওই নোটিস নিয়ে গিয়েছিলেন আদালতের কর্মী(প্রসেস সার্ভার) কিশলয় সরকার। নথি অনুযায়ী, সেই নোটিস তিনি ধরিয়েছেন এবং প্রাপ্তিস্বীকারে সুভাষবাবুর টিপসই নিয়েছেন। অথচ এমন কোনও নোটিসের কথা জানেনই না সুভাষবাবু। ফলে একের পর এক শুনানির তারিখ পড়লেও তিনি আদালতে হাজির হতেই পারেননি। বিনা বাধায় মামলা জিতে যায় বাদীপক্ষ।
এবার ওই আদেশ রদ করার আর্জি জানিয়ে পাল্টা মামলা দায়ের করেন সুভাষবাবু। তাতে অজয়বাবুর পাশাপাশি নাম রাখা হয়েছে আদালতের ওই কর্মী কিশলয় সরকারেরও। তাঁর দাবি, নোটিসের প্রাপ্তিস্বীকারে যে টিপসই রয়েছে সেটি তাঁর নয়। তিনি সই করতে পারেন। তাই টিপসই দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাছাড়া, তিনি আদালতের কাছে আর্জি জানান, যেন তাঁর টিপসই এবং নোটিসে থাকা টিপসই ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠিয়ে যাচাই করানো হয়। সুভাষচন্দ্রবাবুর অভিযোগ, মামলা জেতার জন্য অজয়বাবু আদালত কর্মী কিশলয় সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেছেন। তাই নোটিস না পাঠিয়েই একটি টিপসই বসেছে প্রাপ্তিস্বীকারে।
বিষয়টি নিয়ে সুভাষবাবুর আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস বলেন, যে সময় মামলা হয়েছিল, তখন আমার মক্কেল কর্মসূত্রে দেশের বাইরে ছিলেন। বুধবার আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছি, যেন ওই টিপসই যাচাই করে দেখা হয়। পাল্টা অজয় বিশ্বাসের আইনজীবী সুমন রায় বলেন, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আদালত কর্মীর সঙ্গে যোগসাজসের প্রশ্নই আসে না। এভাবে কখনও মামলা জেতা যায় না। আদালত কর্মী কিশলয় সরকারের সঙ্গে কথা বলার জন্য অফিসে গিয়েও তাঁর দেখা পাওয়া যায়নি। তাঁর সহকর্মীরা যোগাযোগের জন্য তাঁর মোবাইল নম্বর দিতেও অস্বীকার করেন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও তাঁকে অফিসে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।



