সংবাদদাতা, কান্দি: শেষরক্ষা হল না। জামাই হিসেবে মানও গেল আবার চুরির দায়ে হাজতবাসও জুটল। মুম্বইয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে চুরির অভিযোগে খড়গ্রাম থানার ইন্দ্রাণী গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ওই যুবকের নাম সৌরভ দেভশারণ যাদব। তার বাড়ি মহারাষ্ট্রের নবি মুম্বই এলাকায়। এদিন খড়গ্রাম থানা ও মুম্বই পুলিস যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে বুধবার কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ট্রানজিট রিমান্ডে মুম্বই পুলিসের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। মুম্বই পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর নবি মুম্বই এলাকায় এক সাংবাদিকের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ওইদিন রাতে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে চুরি করে ধৃত যুবক। এরপর ওই সাংবাদিকের অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বই পুলিস তদন্ত শুরু করে ধৃতের সন্ধান পাই। প্রায় ৯০ হাজার টাকার সোনার গয়না ও নগদ ২৫০০ টাকা চুরি যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।
Advertisement
এদিন রাতে খড়গ্রাম থানায় আসে মুম্বই পুলিসের সাতজনের একটি দল। এরপর যৌথ অভিযান চালিয়ে ইন্দ্রাণী গ্রামে গিয়ে অভিযুক্তকে শ্বশুরবাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মুম্বই পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয় ধৃতকে।
ইন্দ্রাণী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, ধৃতের স্ত্রী গ্রামেরই দুঃস্থ পরিবারের মেয়ে। অনেকবছর ধরেই তিনি মুম্বইয়ে পরিচারিকার কাজ করেন। মুম্বইয়ে থাকার সময় ধৃত যুবকের সঙ্গে তার প্রেম হয়। এরপর বছর চারেক আগে তারা বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পরই ধৃতের স্ত্রী ইন্দ্রাণী গ্রামে ফিরে আসেন। গ্রামের বাড়িতে ধৃতের স্ত্রী একাই থাকেন। আর ধৃত জামাই মাঝে মধ্যেই শ্বশুরবাড়ি যাতায়াত করতো। ইন্দ্রাণী গ্রামের বাসিন্দা আরাফত শেখ বলেন, হিন্দিতে আমাদের সঙ্গে কথা বলত। মাঝে মধ্যে চা খাওয়াতো। জামাইয়ের যে এত গুণ তা বুঝতে পারিনি। এবার মনে হচ্ছে আমরা ওই চুরির টাকায় চা খেয়েছি। তাই খুব খারাপ লাগছে। অপর বাসিন্দা সনৎ শেখ বলেন, মেয়েটিকে আমরা ছোট থেকেই দেখেছি। কিন্তু তার জামাই এমন হবে কল্পনাও করতে পারছি না।
মুম্বই পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নামে মুম্বইয়ের অনেক থানায় চুরির অভিযোগ রয়েছে। ওই যুবক সুযোগ পেলেই ফাঁকা বাড়িতে চুরির করতো।
ইন্দ্রাণী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, ধৃতের স্ত্রী গ্রামেরই দুঃস্থ পরিবারের মেয়ে। অনেকবছর ধরেই তিনি মুম্বইয়ে পরিচারিকার কাজ করেন। মুম্বইয়ে থাকার সময় ধৃত যুবকের সঙ্গে তার প্রেম হয়। এরপর বছর চারেক আগে তারা বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পরই ধৃতের স্ত্রী ইন্দ্রাণী গ্রামে ফিরে আসেন। গ্রামের বাড়িতে ধৃতের স্ত্রী একাই থাকেন। আর ধৃত জামাই মাঝে মধ্যেই শ্বশুরবাড়ি যাতায়াত করতো। ইন্দ্রাণী গ্রামের বাসিন্দা আরাফত শেখ বলেন, হিন্দিতে আমাদের সঙ্গে কথা বলত। মাঝে মধ্যে চা খাওয়াতো। জামাইয়ের যে এত গুণ তা বুঝতে পারিনি। এবার মনে হচ্ছে আমরা ওই চুরির টাকায় চা খেয়েছি। তাই খুব খারাপ লাগছে। অপর বাসিন্দা সনৎ শেখ বলেন, মেয়েটিকে আমরা ছোট থেকেই দেখেছি। কিন্তু তার জামাই এমন হবে কল্পনাও করতে পারছি না।
মুম্বই পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নামে মুম্বইয়ের অনেক থানায় চুরির অভিযোগ রয়েছে। ওই যুবক সুযোগ পেলেই ফাঁকা বাড়িতে চুরির করতো।



