Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মূল্যসূচক অনিয়মিতভাবে প্রকাশই নিয়ম করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার

মূল্যসূচক অনিয়মিতভাবে প্রকাশই নিয়ম করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিল্পক্ষেত্রের জন্য নির্ধারিত কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা মূল্যসূচক প্রতি মাসেই প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের সূচক এখনও প্রকাশ করেনি তারা। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় লেবার ব্যুরোকে চিঠি দিল ব্যাঙ্ক কর্মচারীদের সর্বভারতীয় সংগঠন অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন (এআইবিইএ)। চিঠিতে তারা অভিযোগ করেছে, গত এক বছর ধরেই মূল্যসূচক সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। 
Advertisement
জিনিসপত্রের দাম কতটা বাড়ছে বা কমছে, তার উত্তর খুঁজতে কয়েকটি পণ্যকে বাছাই করে সরকার। সেগুলির দাম একটি নির্দিষ্ট সময়ে কত ছিল এবং এখন কতটা বেড়েছে—তার হিসেব কষে সূচক প্রকাশ করা হয়। সেই পণ্যের তালিকায় চাল-ডাল-আনাজের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্য থেকে শুরু করে জামাকাপড়, জুতো, গাড়ি-বাড়িও থাকে। খুচরো বাজারদরের এই সূচকই সিপিআই। যাঁরা শিল্পসংস্থায় কাজ করেন, তাঁদের জন্য আলাদা করে যে সূচক প্রকাশ করা হয়, তা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স সিপিআই হিসেবে পরিচিত। শ্রমমন্ত্রকের আওতায় থাকা লেবার ব্যুরো এই ‘সিপিআই-আইডব্লু’ প্রকাশ করে প্রতি মাসে।
এআইবিইএ’র সাধারণ সম্পাদক সি এইচ ভেঙ্কটচলম লেবার ব্যুরোর ডিরেক্টর জেনারেল অলোক চন্দ্রকে চিঠিতে লিখেছেন, কোনও মাসের মূল্যসূচক কত হবে, তা পরের মাসের শেষে প্রকাশ করাই রেওয়াজ। কিন্তু গত প্রায় এক বছর ধরে তা সঠিক সময়ে প্রকাশিত হচ্ছে না। অনিয়মিত হওয়াটাই যেন নিয়ম হয়ে গিয়েছে। শেষ হিসেব অনুযায়ী গত ডিসেম্বরের সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল ৩১ জানুয়ারির মধ্যে। কিন্তু তা এখনও হয়নি। এর ফলে কর্মদাতা সংস্থা এবং ম্যানেজমেন্টের পক্ষে কর্মীদের বেতনের উপর ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রেই প্রায় ১৫ লক্ষ কর্মী, অফিসার ও পেনশনভোগী রয়েছেন, যাঁদের বেতন ও পেনশন সংক্রান্ত পে-স্লিপ বা নথি তৈরির কাজ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হয়ে যায়। কিন্তু ডিসেম্বরের সূচক না থাকায়, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের গড় সূচক নির্ণয় করা এখনও সম্ভব হচ্ছে না বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তা যাতে দ্রুত সম্ভব হয়, তার জন্যই সূচক প্রকাশের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। এআইবিইএ’র পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে ব্যাঙ্ক অফিসার-কর্মীদের অপর সংগঠন ব্যাঙ্ক বাঁচাও দেশ বাঁচাও মঞ্চও। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ