নয়াদিল্লি: আচ্ছে দিনের স্বপ্ন কবেই হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে। মোদির ভারতের চড়া মূল্যবৃদ্ধি ও রোজগারের বেহাল দশায় রীতিমতো দুর্বিষহ অবস্থা সাধারণ মানুষের। বিভিন্ন সমীক্ষা ও পরিসংখ্যানে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। নীতি আয়োগের সদস্য অরবিন্দ ভিরমানিও স্বীকার করে নিয়েছেন, মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তালমিলিয়ে বাড়ছে না কর্মীদের বেতন।
Advertisement
কয়েকদিন আগেই একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল, দেশের ১০০ কোটি মানুষেরই সংসার টানতে হিমশিম দশা। বাড়তি খরচ করার মতো রেস্ত তাঁদের পকেটে নেই। স্বাভাবিকভাবেই চাহিদা কমেছে। এর জেরে কলকারখানার উৎপাদন ধাক্কা খাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্থানে। এই পরিস্থিতিতে মোদি সরকারের কর্পোরেট-মুখী আর্থিক নীতির তীব্র সমালোচনায় সরব বিরোধীরা।
তবে কর্মসস্থান থমকে থাকার দাবি মানতে নারাজ ভিরমানি। সংবাদসংস্থার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভিরমানির দাবি, ‘পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে (পিএলএফএস) তথ্য অনুযায়ী দেশে গত সাত বছরে জনসংখ্যার অনুপাতে কর্মীসংখ্যা বেড়েছে। তাই কর্মসংস্থান বাড়ছে না বলাটা ঠিক নয়।’ তিনি আরও দাবি করেছেন ওই তথ্য অনুসারে অস্থায়ী কর্মীদের পারিশ্রমিক বাড়লেও নিয়মিত বেতনের চাকরির ক্ষেত্রে কিন্তু তেমন হচ্ছে না। গত সাত বছরে প্রকৃত বেতন মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তালমিলিয়ে বাড়েনি। এর পিছনে দক্ষতার অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, বিশ্বের জনসংখ্যার নিরিখে ভারতের একটা সুযোগ রয়েছে। সেই সুবিধা নিতে হবে। কিন্তু এজন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। উল্লেখ্য, মোদি জমানায় স্কিল ইন্ডিয়া প্রকল্প চালু হয়েছিল। নীতি আয়োগের সদস্যের মন্তব্য থেকে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির সেই প্রকল্প কতটা সাফল্য পেয়েছে,তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বিষয়টি রাজ্যগুলির ঘাড়ে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টাও ভিরমানি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এব্যাপারে কেন্দ্র কাজ করছে। রাজ্য সরকারগুলিকেও এই কাজে নজর দিতে হবে।
তবে কর্মসস্থান থমকে থাকার দাবি মানতে নারাজ ভিরমানি। সংবাদসংস্থার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভিরমানির দাবি, ‘পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে (পিএলএফএস) তথ্য অনুযায়ী দেশে গত সাত বছরে জনসংখ্যার অনুপাতে কর্মীসংখ্যা বেড়েছে। তাই কর্মসংস্থান বাড়ছে না বলাটা ঠিক নয়।’ তিনি আরও দাবি করেছেন ওই তথ্য অনুসারে অস্থায়ী কর্মীদের পারিশ্রমিক বাড়লেও নিয়মিত বেতনের চাকরির ক্ষেত্রে কিন্তু তেমন হচ্ছে না। গত সাত বছরে প্রকৃত বেতন মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তালমিলিয়ে বাড়েনি। এর পিছনে দক্ষতার অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, বিশ্বের জনসংখ্যার নিরিখে ভারতের একটা সুযোগ রয়েছে। সেই সুবিধা নিতে হবে। কিন্তু এজন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। উল্লেখ্য, মোদি জমানায় স্কিল ইন্ডিয়া প্রকল্প চালু হয়েছিল। নীতি আয়োগের সদস্যের মন্তব্য থেকে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির সেই প্রকল্প কতটা সাফল্য পেয়েছে,তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বিষয়টি রাজ্যগুলির ঘাড়ে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টাও ভিরমানি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এব্যাপারে কেন্দ্র কাজ করছে। রাজ্য সরকারগুলিকেও এই কাজে নজর দিতে হবে।



