সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: জলসুয়া নদীর সেতু বসে গিয়ে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই ঘটনায় চরম দুর্ভোগে মেখলিগঞ্জ ব্লকের উছলপুকুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। সেতুর পাশেই রয়েছে শিলখাগড়ি মন্দির। বৃহস্পতিবার সেখানে বসবে প্রভাতী মিলনমেলা। মিলনমেলায় এলাকার সমস্ত নগরকীর্তনের দল অংশগ্রহণ করবে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, কয়েক হাজার মানুষের সমাবেশ হবে। সিংহভাগ মানুষই ওই সেতু পেরিয়ে মিলন মেলায় আসবেন। কিন্তু সেতুটির অবস্থার কথা ভেবে উদ্যোক্তারা খুবই শঙ্কিত।
Advertisement
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সম্প্রতি শিলখাগড়ি এলাকায় জলসুয়া নদীর উপর নির্মিত পাকা সেতুটির মাঝের অংশ অনেকটাই বসে গিয়েছে। স্বল্প দৈর্ঘ্যের ওই সেতুটি বসে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। বড় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলছে ছোট যান। প্রশাসনের তরফ থেকে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও, অনেকেই তা মানছেন না। এই ব্যাপারে উছলপুকুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গায়েত্রী বর্মন বলেন, সেতুটি মাঝ বরাবর কয়েক ইঞ্চি বসে গিয়ে বিপজ্জনক আকার ধারণ করেছে। দ্রুত গতিতে সেতুটি মেরামত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
এলাকার বাসিন্দা জগদীশ রায়, নবেন্দুকুমার রায়, জয়া বর্মন বলেন, সেতুটির বর্তমানে যা অবস্থা, যেকোনও মুহূর্তে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তে পারে। দ্রুত বিষয়টির প্রতি প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সেতুটি বেশ পুরনো। ওই পথে কয়েক হাজার মানুষ ও যান চলাচল করে। সেতু ও রাস্তাটি কোচবিহার জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সদস্য কেশবচন্দ্র বর্মন বলেন, সেতুটির অবস্থা সত্যিই খারাপ। সেতুর ঠিক মাঝখানের অংশটি বসে গিয়েছে। বড় আকারের ফাটল ধরেছে। বিষয়টি জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে জানিয়েছি। আশা করি, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারীও বলেন, সেতুটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেরামত করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে।
এলাকার বাসিন্দা জগদীশ রায়, নবেন্দুকুমার রায়, জয়া বর্মন বলেন, সেতুটির বর্তমানে যা অবস্থা, যেকোনও মুহূর্তে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তে পারে। দ্রুত বিষয়টির প্রতি প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সেতুটি বেশ পুরনো। ওই পথে কয়েক হাজার মানুষ ও যান চলাচল করে। সেতু ও রাস্তাটি কোচবিহার জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সদস্য কেশবচন্দ্র বর্মন বলেন, সেতুটির অবস্থা সত্যিই খারাপ। সেতুর ঠিক মাঝখানের অংশটি বসে গিয়েছে। বড় আকারের ফাটল ধরেছে। বিষয়টি জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে জানিয়েছি। আশা করি, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারীও বলেন, সেতুটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেরামত করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে।



