নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ট্যাব কেলেঙ্কারিতে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থেকে ধৃত যুবক আব্দুল মান্নান মালদহের বৈষ্ণবনগরের হাসেন শেখের নির্দেশে কাজ করেছিল। হাসেন তাকে বিড়ি শ্রমিকদের নথি হাতিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার পরামর্শ দিয়েছিল। সেইমতো সে সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রায় ৫০জনের কাছে থেকে নথি হাতিয়েছিল। কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে সে টাকা তুলেও নিয়েছে। উল্লেখ্য, ট্যাবের টাকা লোপাটের অভিযোগে আগেই হাসেনকে জালে তুলেছে পুলিস। প্রতারকদের জন্য বহু শ্রমিক নিজেদের অজান্তে জালে জড়িয়ে গিয়েছে। প্রতারকদের কথা শুনে তারা ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলে। কিছু টাকা তারা কমিশন হিসেবে পেয়েছিল। বাকি টাকা প্রতারকরা হাতিয়ে নেয়। অ্যাকাউন্ট থেকে নিজেরা টাকা তোলায় আইনের চোখে তারাও অপরাধী। সেকারণে তাদেরকেও নোটিস করে ডাকা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গে কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের পড়ুয়াদের টাকা বৈষ্ণবনগর এবং কিষানগঞ্জ গ্যাং হাতিয়েছিল। তাদের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তার করতে পুলিস মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।



