নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সরে গিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে। অন্যদিকে বাংলাদেশের উপর সৃষ্টি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। এই দু’য়ের জেরে নিম্নমুখী পারদ। ফলে শীত বেড়েছে মালদহে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে মালদহে স্বাভাবিকের থেকে তিন থেকে চার ডিগ্রি তাপমাত্রা কমেছে। আগামী তিনদিন কুয়াশা থাকবে। গরম পোশাক কিনতে শীতবস্ত্রের দোকানে উপচে পড়ছে ভিড়। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগুন পোহাচ্ছেন অনেকে। আবহাওয়া দপ্তরের উত্তরবঙ্গের কো-অর্ডিনেটর গোপীনাথ রাহা বলেন, আগামী তিনদিন ঘন কুয়াশা এবং আকাশ মেঘলা থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে দু’এক জায়গায় হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।
Advertisement
নভেম্বর থেকে সূর্য ডোবার পর ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনে বেশ গরম থাকছিল। কিন্তু পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ধীরে ধীরে পশ্চিম দিক থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে সরে গিয়েছে। এর জেরে ব্যাপক কুয়াশা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে আকাশে মেঘ সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে সোমবার থেকে দিনেও ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
গত এক সপ্তাহে ইংলিশবাজার সহ মালদহে দিনের গড় তাপমাত্রা ছিল ২৫ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সেই তাপমাত্রা নেমে আসে ২০ ডিগ্রিতে। রাতের তাপমাত্রাও কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এদিকে ঠান্ডার দাপট থেকে রেহায় পেতে আগুন পোহাতে শুরু করেছেন অনেকে। এদিন সন্ধ্যের পর থেকে ইংলিশবাজার শহরের ভবানী মোড়, স্টেশন রোড, গ্রিনপার্ক, রথবাড়ি মোড় সহ বেশকিছু জায়গায় আগুন পোহানোর দৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।
শীত বাড়তেই সোমবার বিকেল থেকে ভিড় উপচে পড়ে শীতবস্ত্রের দোকানে। ইংলিশবাজার শহরে দু’টি শীতবস্ত্রের বাজার বসেছে। শহরের বাঁধ রোডে মেলার মতো স্টল খুলে শীতবস্ত্র বিক্রি করছেন পাহাড় থেকে আসা মানুষরা। বেলা বাড়তেই কচিকাঁচাদের নিয়ে সেখানে যান মায়েরা।
উলের সোয়েটার, হাত মোজা, টুপি, জ্যাকেট, মাফলার, কিনতে দেখা যায় ক্রেতাদের। ছেলেকে নিয়ে বাজারে হাতমোজা কিনতে এসেছিলেন কাকলি সরকার। তিনি বলেন, হঠাৎ করে ঠান্ডা বেড়ে গিয়েছে। সকালে ছেলের স্কুল আছে। তাই হাতমোজা কিনলাম। গরম পোশাকের আরেকটি বাজার বসেছে শহরের টাউন হলের সামনে। সেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা স্টল খুলে শীতবস্ত্র বিক্রি করছেন। সেখানেও যথেষ্ট ভিড় ছিল।গত এক সপ্তাহে ইংলিশবাজার সহ মালদহে দিনের গড় তাপমাত্রা ছিল ২৫ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সেই তাপমাত্রা নেমে আসে ২০ ডিগ্রিতে। রাতের তাপমাত্রাও কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এদিকে ঠান্ডার দাপট থেকে রেহায় পেতে আগুন পোহাতে শুরু করেছেন অনেকে। এদিন সন্ধ্যের পর থেকে ইংলিশবাজার শহরের ভবানী মোড়, স্টেশন রোড, গ্রিনপার্ক, রথবাড়ি মোড় সহ বেশকিছু জায়গায় আগুন পোহানোর দৃশ্য লক্ষ্য করা যায়।
শীত বাড়তেই সোমবার বিকেল থেকে ভিড় উপচে পড়ে শীতবস্ত্রের দোকানে। ইংলিশবাজার শহরে দু’টি শীতবস্ত্রের বাজার বসেছে। শহরের বাঁধ রোডে মেলার মতো স্টল খুলে শীতবস্ত্র বিক্রি করছেন পাহাড় থেকে আসা মানুষরা। বেলা বাড়তেই কচিকাঁচাদের নিয়ে সেখানে যান মায়েরা।



