নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: কয়েকদিন ধরে খারাপ হয়ে পড়ে আছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন। যার ফলে চিকিৎসা করাতে এসে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীর আত্মীয়দের। হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে বিকল্প ব্যবস্থা করা হলেও সেখানে রোগীদের লম্বা লাইন। অগত্যা কেউ ছুটছেন বেসরকারি ল্যাবে কেউ আবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে।
Advertisement
মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বর বলেন, মেশিনটি খারাপ আছে, সেই খবর পেয়েছি। মেশিন ঠিক করতে আরও দুই-তিন দিন সময় লাগবে।
মালদহের সুজাপুরের বাসিন্দা আসমারা খাতুন বলেন, আমার একটা অস্ত্রোপচার হবে। সার্জেন্ট দেখিয়েছি। ডাক্তারবাবু এক্স-রে করতে বলেছেন। কিন্তু দু’দিন ধরে এসে ঘুরে চলে যাচ্ছি। রোজই দেখছি লেখা থাকছে ‘এক্স-রে মেশিন খারাপ’। কী করব! আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। এবার তাই বাইরে থেকেই টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে হবে।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের একটি যন্ত্র বিকল হয়েছে। মেশিনের রক্ষণাবেক্ষণকারী সংশ্লিষ্ট সংস্থা এসে দেখে গিয়েছে। এক্স-রে মেশিনের যে নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশটি খারাপ হয়েছে তা এখানে পাওয়া যায় না। বাইরে থেকে ওই যন্ত্রাংশটি নিয়ে আসতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে। যদিও মেডিক্যাল কলেজের ট্রমা কেয়ারে আরেকটি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন আছে। আপাতত রোগীদের সেখানেও পাঠানো হচ্ছে বলে এদিন এমএসভিপি জানান।
ইংলিশবাজারের ঘোড়াপিরের বাসিন্দা কউসর আলি বলেন, হার্নিয়া অপারেশন হবে। তাই ডাক্তারবাবু এক্স-রে করাতে বলেছেন। কিন্তু এখানে তো মেশিন খারাপ। সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকে অপেক্ষা করলাম। এখন বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।
মালদহ জেলার নানা প্রান্তের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক রোগী এখানে চিকিৎসা করাতে আসেন। যার ফলে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেকটাই বেশি। সেই জায়গায় গত তিন-চার দিন ধরে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন খারাপ হয়ে থাকায় রোগী ও তাঁদের পরিবার সেমন সমস্যায় পড়েছে, ঠিক তেমনি রোগীদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ট্রমা কেয়ার বিভাগের কর্মীদেরকেও।
মালদহের সুজাপুরের বাসিন্দা আসমারা খাতুন বলেন, আমার একটা অস্ত্রোপচার হবে। সার্জেন্ট দেখিয়েছি। ডাক্তারবাবু এক্স-রে করতে বলেছেন। কিন্তু দু’দিন ধরে এসে ঘুরে চলে যাচ্ছি। রোজই দেখছি লেখা থাকছে ‘এক্স-রে মেশিন খারাপ’। কী করব! আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। এবার তাই বাইরে থেকেই টাকা দিয়ে এক্স-রে করাতে হবে।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের একটি যন্ত্র বিকল হয়েছে। মেশিনের রক্ষণাবেক্ষণকারী সংশ্লিষ্ট সংস্থা এসে দেখে গিয়েছে। এক্স-রে মেশিনের যে নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশটি খারাপ হয়েছে তা এখানে পাওয়া যায় না। বাইরে থেকে ওই যন্ত্রাংশটি নিয়ে আসতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে। যদিও মেডিক্যাল কলেজের ট্রমা কেয়ারে আরেকটি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন আছে। আপাতত রোগীদের সেখানেও পাঠানো হচ্ছে বলে এদিন এমএসভিপি জানান।
ইংলিশবাজারের ঘোড়াপিরের বাসিন্দা কউসর আলি বলেন, হার্নিয়া অপারেশন হবে। তাই ডাক্তারবাবু এক্স-রে করাতে বলেছেন। কিন্তু এখানে তো মেশিন খারাপ। সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকে অপেক্ষা করলাম। এখন বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।
মালদহ জেলার নানা প্রান্তের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক রোগী এখানে চিকিৎসা করাতে আসেন। যার ফলে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেকটাই বেশি। সেই জায়গায় গত তিন-চার দিন ধরে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন খারাপ হয়ে থাকায় রোগী ও তাঁদের পরিবার সেমন সমস্যায় পড়েছে, ঠিক তেমনি রোগীদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ট্রমা কেয়ার বিভাগের কর্মীদেরকেও।



