সন্দীপন দত্ত, মালদহ: কোথাও তিনি ছুটে গেলেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যুবককে দেখে। কোথাও আবার অভিভাবকদের জন্য পানীয় জল ও বসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিলেন। সোমবার মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে বেরিয়ে দিনভর ছুটে বেরালেন মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া। তিনি জানান, পরীক্ষার্থীরা খুব ভালোভাবে পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের কোনও সমস্যা হচ্ছে না।
Advertisement
এদিন বেলা ১২টা নাগাদ অফিস থেকে বেরিয়ে জেলাশাসক মালদহ গার্লস হাইস্কুলে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি গড়িতে উঠতে যাচ্ছিলেন। আচমকাই তাঁর চোখে পড়ে বিশেষভাবে সক্ষম এক যুবক রাস্তার পাশে বসে আছেন। গাড়িতে না উঠে তাঁর কাছে যান জেলাশাসক। মাথায়, পিঠে হাত বুলিয়ে তাঁর নাম জানতে চান। যুবক মানবিক ভাতা পাচ্ছেন কি না সেটাও জিজ্ঞেস করেন। তিনি যুবককে পড়াশোনা থেকে শুরু করে যাবতীয় প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন, এখানে এসে বিশেষভাবে সক্ষম এক ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হল। সে মানবিক ভাতা পায়। হুইল চেয়ারও আছে। প্রশাসনের তরফে তার পড়াশোনার এবং আরও কীভাবে সহযোগিতা করা যায় সেটা আমরা দেখছি। পাশেই মেয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অপেক্ষারত অভিভাবক তাপসী দাস বলেন, জেলাশাসকের মানবিক মুখ দেখতে পেলাম। খুব ভালো লাগল।
এদিন মালদহ গার্লস হাইস্কুল থেকে জেলাশাসক চিন্তামনি চমৎকার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে যান। সেখানেও খতিয়ে দেখেন পরীক্ষা কেন্দ্রের যাবতীয় খুঁটিনাটি। ছাত্রছাত্রীদের পানীয় জল, পরীক্ষা কেন্দ্রে আলোর ব্যবস্থা, মেডিক্যাল টিম থেকে শুরু করে সমস্ত বিষয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রস্তুতি দেখেন তিনি।
পরে জেলাশাসক শহরের লোলিত মোহন শ্যাম মোহিনী উচ্চ বিদ্যালয়ে যান। গাড়ি থেকে নেমেই তিনি এগিয়ে যান স্কুলের বাইরে অপেক্ষারত অভিভাবকদের দিকে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে তিনি কেন্দ্রের ভিতরে ঢোকেন।
সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার আগে তিনি আবার অভিভাবকদের কাছে যান। তাঁদের উদ্দেশ্যে জেলাশাসক বলেন, আপনাদের ছেলেমেয়েরা খুব ভালোভাবে পরীক্ষা দিচ্ছে।
অভিভাবকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি সঙ্গেসঙ্গে বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাসকে অভিভাবকদের জন্য শেড, পানীয় জল এবং বসার ব্যবস্থা করতে বলেন।
ভিড়ের মধ্যে এদিন এক অভিভাবকের মোবাইল ফোন খোয়া যায়। তিনি বিষয়টি জেলাশাসককে জানাতেই তৎক্ষণাৎ থানায় ডায়েরি করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিককে ডেকে ওই অভিভাবককে সহযোগিতা করতে বলেন।
মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন, এখানে এসে বিশেষভাবে সক্ষম এক ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হল। সে মানবিক ভাতা পায়। হুইল চেয়ারও আছে। প্রশাসনের তরফে তার পড়াশোনার এবং আরও কীভাবে সহযোগিতা করা যায় সেটা আমরা দেখছি। পাশেই মেয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অপেক্ষারত অভিভাবক তাপসী দাস বলেন, জেলাশাসকের মানবিক মুখ দেখতে পেলাম। খুব ভালো লাগল।
এদিন মালদহ গার্লস হাইস্কুল থেকে জেলাশাসক চিন্তামনি চমৎকার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে যান। সেখানেও খতিয়ে দেখেন পরীক্ষা কেন্দ্রের যাবতীয় খুঁটিনাটি। ছাত্রছাত্রীদের পানীয় জল, পরীক্ষা কেন্দ্রে আলোর ব্যবস্থা, মেডিক্যাল টিম থেকে শুরু করে সমস্ত বিষয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রস্তুতি দেখেন তিনি।
পরে জেলাশাসক শহরের লোলিত মোহন শ্যাম মোহিনী উচ্চ বিদ্যালয়ে যান। গাড়ি থেকে নেমেই তিনি এগিয়ে যান স্কুলের বাইরে অপেক্ষারত অভিভাবকদের দিকে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে তিনি কেন্দ্রের ভিতরে ঢোকেন।
সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার আগে তিনি আবার অভিভাবকদের কাছে যান। তাঁদের উদ্দেশ্যে জেলাশাসক বলেন, আপনাদের ছেলেমেয়েরা খুব ভালোভাবে পরীক্ষা দিচ্ছে।
অভিভাবকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি সঙ্গেসঙ্গে বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাসকে অভিভাবকদের জন্য শেড, পানীয় জল এবং বসার ব্যবস্থা করতে বলেন।
ভিড়ের মধ্যে এদিন এক অভিভাবকের মোবাইল ফোন খোয়া যায়। তিনি বিষয়টি জেলাশাসককে জানাতেই তৎক্ষণাৎ থানায় ডায়েরি করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিককে ডেকে ওই অভিভাবককে সহযোগিতা করতে বলেন।



