নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: রানওয়ের ওপর ছুটছে টোটো। আশেপাশে বসছে মদ, গাঁজার আসর। এই সমস্ত অনিয়ম নিয়ে ২৪ ঘণ্টা আগে খবর প্রকাশিত হয় ‘বর্তমান’ পত্রিকায়। তারপরেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। মালদহ বিমানবন্দরের পিছনের দিকে ২৩ নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন খোলা অংশে প্রাচীর দিয়ে ঘেরার কাজ শুরু হল। একই সঙ্গে বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দিচ্ছে প্রশাসন।
Advertisement
মূলত যাঁরা প্রাতর্ভ্রমণ বা সান্ধ্য ভ্রমণ করেন, শুধুমাত্র তাঁদেরই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। যদিও তা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাতর্ভ্রমণকারীদের জন্য প্রতিদিন ভোর পাঁচটা থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত বিমানবন্দর খোলা হবে। সান্ধ্য ভ্রমণকারীদের অনুমতি দেওয়া হবে বিকেল তিনটে থেকে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত।
প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তা জানান, বিমানবন্দরে কোনও যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হবে না। প্রাতর্ভ্রমণ এবং সান্ধ্য ভ্রমণের পর বিমানবন্দর চত্বর সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে। এই ক্ষেত্রে কোনও গাড়ি, বাইক এমনকী সাইকেল নিয়েও বিমানবন্দরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে প্রশাসন। সন্ধ্যের পর থেকে বাড়ানো হবে পুলিসি টহলদারি। কেউ নিয়ম অমান্য করলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ড্রাইভিং প্র্যাক্টিস থেকে শুরু করে অব্যবহৃত বিমানবন্দরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচলের জেরে কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি রানওয়ে খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এর জেরে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বা ভিভিআইপিদের বিশেষ বিমান বা হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য রানওয়ে ব্যবহার করা যাবে না বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।
বিমানবন্দরের কাজীগ্রাম এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের দিকে থাকা অংশটি প্রাচীর দিয়ে ঘেরার ফলে টোটো চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। তবে একেবারে মানুষের অবাধ গতিবিধি সম্পূর্ণ বন্ধ করার জন্য বিমানবন্দরের মূল প্রবেশদ্বারে বড় গেট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার বিমানবন্দরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বহু মানুষকে পিকনিক করতে দেখা যায়। রীতিমতো সাউন্ড বক্স বাজিয়ে পিকনিকের পাশাপাশি চলে অবাধ মদ্যপান। প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর সবটাই বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী ওয়াকিবহাল মহল।
১৪৪ একর জমির উপর গত শতাব্দীর ষাটের দশকে প্রাথমিকভাবে চালু হয়েছিল মালদহ বিমানবন্দর। প্রথম দিকে অবশ্য যাত্রী পরিবহণের কোনও ব্যবস্থা ছিল না এখানে। তখন শুধুমাত্র আমের মরশুমে পণ্য পরিবহণের জন্যই এই বিমানবন্দর ব্যবহৃত হতো।
(দেওয়াল তোলা হচ্ছে বিমানবন্দরে। - নিজস্ব চিত্র।)
প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তা জানান, বিমানবন্দরে কোনও যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হবে না। প্রাতর্ভ্রমণ এবং সান্ধ্য ভ্রমণের পর বিমানবন্দর চত্বর সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে। এই ক্ষেত্রে কোনও গাড়ি, বাইক এমনকী সাইকেল নিয়েও বিমানবন্দরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে প্রশাসন। সন্ধ্যের পর থেকে বাড়ানো হবে পুলিসি টহলদারি। কেউ নিয়ম অমান্য করলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ড্রাইভিং প্র্যাক্টিস থেকে শুরু করে অব্যবহৃত বিমানবন্দরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচলের জেরে কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি রানওয়ে খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এর জেরে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বা ভিভিআইপিদের বিশেষ বিমান বা হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য রানওয়ে ব্যবহার করা যাবে না বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।
বিমানবন্দরের কাজীগ্রাম এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের দিকে থাকা অংশটি প্রাচীর দিয়ে ঘেরার ফলে টোটো চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। তবে একেবারে মানুষের অবাধ গতিবিধি সম্পূর্ণ বন্ধ করার জন্য বিমানবন্দরের মূল প্রবেশদ্বারে বড় গেট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার বিমানবন্দরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বহু মানুষকে পিকনিক করতে দেখা যায়। রীতিমতো সাউন্ড বক্স বাজিয়ে পিকনিকের পাশাপাশি চলে অবাধ মদ্যপান। প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর সবটাই বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী ওয়াকিবহাল মহল।
১৪৪ একর জমির উপর গত শতাব্দীর ষাটের দশকে প্রাথমিকভাবে চালু হয়েছিল মালদহ বিমানবন্দর। প্রথম দিকে অবশ্য যাত্রী পরিবহণের কোনও ব্যবস্থা ছিল না এখানে। তখন শুধুমাত্র আমের মরশুমে পণ্য পরিবহণের জন্যই এই বিমানবন্দর ব্যবহৃত হতো।
(দেওয়াল তোলা হচ্ছে বিমানবন্দরে। - নিজস্ব চিত্র।)



