Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজারহাট-গোপালপুরে জল জমা রুখতে উদ্যোগী বিধায়ক

ফি বছর বর্ষায় জমা জলের দুর্ভোগে পড়েন এলাকার মানুষ। কিন্তু, এতদিন তার কোনো সুরাহা হয়নি। কোথাও ড্রেন বুজে গিয়েছে।

রাজারহাট-গোপালপুরে জল  জমা রুখতে উদ্যোগী বিধায়ক
  • ১৫ মে, ২০২৬ ০৮:১১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ফি বছর বর্ষায় জমা জলের দুর্ভোগে পড়েন এলাকার মানুষ। কিন্তু, এতদিন তার কোনো সুরাহা হয়নি। কোথাও ড্রেন বুজে গিয়েছে। কোথাও আবার ড্রেনের গতি উলটোদিকে! কোনো জায়গায় রাস্তা উঁচু হওয়ায় বাড়িতে ঢোকে জল! বর্ষার আগে রাজারহাট-গোপালপুরে জল জমা রুখতে উদ্যোগী হলেন বিধায়ক তরুণজ্যোতি তেওয়ারি। বৃহস্পতিবার তিনি সল্টলেকে বিধাননগর পুরসভায় যান। সেখানে ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কথা বলেন। বেআইনি নির্মাণের জেরে যে সব নিকাশির ক্ষতি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে পুরসভাকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রটি তৃণমূলের দখলে থাকলেও এবার প্রায় ২৮ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সিকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন বিজেপির তরুণজ্যোতি তেওয়ারি। ভোটে জেতার পর থেকেই মানুষের কাজের জন্য তিনি মাঠে নেমে পড়েছেন। ভোটের পর নিয়মিত জঞ্জাল সাফাই সহ পুর পরিষেবা তলানিতে ঠেকেছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এবার জমা জলের দুর্ভোগ সমাধানে পথে নামলেন তিনি। এদিন পুরসভায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলেন। যাতে বর্ষার আগেই প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিধায়ক তরুণজ্যোতি তেওয়ারি বলেন, এখানে ফি বর্ষায় জল জমার সমস্যা রয়েছে। তাই বর্ষার আগে এই সমস্যার সমাধানের জন্য আমি পুরসভায় গিয়েছিলাম। বেশ কিছু ড্রেন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিছু ড্রেনে জলের গতি রয়েছে উলটোদিকে। কিছু জায়গায় আবার তৃণমূলের লোকজন কনস্ট্রাকশন করে দিয়েছেন। সব বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। এবার বর্ষাকালে কিছু পাম্প বসানো হবে বলে ঠিক হয়েছে। বহু জায়গায় ঠিকাদাররা রাস্তা উঁচু করে দিয়েছেন। ফলে মানুষের বাড়ি নীচু হয়ে গিয়েছে। সেই জায়গাগুলি ঠিক করে দিতে বলা হয়েছে। বিধায়ক বলেন, শেষ তিন বছর কী কাজ হয়েছে, তা জানতে চেয়েছিলাম। দেখলাম, রাজারহাট-গোপালপুর পুরসভার ইস্যু করা প্ল্যানেই কাজ হয়েছে। অথচ, শেষ তিন বছরে পুরসভার কোনো অস্তিত্ব ছিল না। সেই তালিকাও চাওয়া হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ