Bartaman Logo
২৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আত্রেয়ীর ড্যাম এলাকায় ভাঙন রোধের কাজে গতি আনার দাবি, ড্যাম সরানোর চিন্তাভাবনা বিধায়কের

আত্রেয়ী নদীর ড্যাম এলাকায় ভাঙন রোধের কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিধায়ক বিদ্যুৎকুমার রায় দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। বিস্তারিত পড়ুন।

আত্রেয়ীর ড্যাম এলাকায় ভাঙন রোধের কাজে গতি আনার দাবি, ড্যাম সরানোর চিন্তাভাবনা বিধায়কের
  • ২৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আত্রেয়ী নদীর ড্যাম এলাকায় ভাঙন রোধের কাজের গতি নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠল। গত  বৃহস্পতিবার কাজ শুরু হলেও সেই কাজের গতি নেই বলেই অভিযোগ। বাঁশের খাঁচা তৈরি করে প্রকুপাইনের কাজ শুরু হয়েছে। তবে কাজ এখনো এগয়নি। সবে বাঁশের খাঁচা নদীতে ফেলা হচ্ছে। বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, কাজ শুরু হলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক শ্রমিক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। ফলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে এগোচ্ছে। ওই এলাকায় আগে থেকেই ভাঙনের আশঙ্কা ছিল। কিন্তু সেচ দপ্তর ও প্রশাসন আগে থেকে কোনো ব্যবস্থায় নেয়নি। নদীতে জল বাড়লে ফের এলাকায় ভাঙন হলে বাড়িঘর ভেঙে পড়বে। এই নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

এদিকে, রবিবার বিকালে ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে যান বালুরঘাটের বিধায়ক বিদ্যুৎকুমার রায়। তাঁকে পেয়ে  এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক। শুধু তাই নয়, স্থায়ী সমাধানের জন্য ওই জায়গা থেকে নদীর ড্যাম নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। 
বালুরঘাটের বিধায়ক বিদ্যুৎকুমার রায় বলেন,তৃণমূল সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে এই ড্যাম  তৈরি করেছেন। নিম্নমানের কাজ করার কারণে এই দুর্ভোগ শুরু হয়েছে। বিষয়টি আমি বিধানসভায় উত্থাপন করেছি। স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে। এই জায়গাযর ড্যাম পুরোপুরি ভেঙে সীমান্তের কাছাকাছি কোথাও ড্যাম নির্মাণ করতে হবে। তাহলে এই সমস্যার পাশাপাশি মৎস্যজীবীরাও উপকৃত হবেন। এখানকার মানুষ কষ্টে রয়েছেন। যে কোনো মুহূর্তে বাড়িঘর ভেঙে যেতে পারে। সেচ দপ্তর ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। পযদিও সেচ দপ্তরের দাবি, ভাঙন স্থলের নীচে গভীর গর্ত তৈরি হওয়ায় আপাতত অস্থায়ী পদ্ধতিতে কাজ করতে হচ্ছে। গভীর জল ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে কাজের গতি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। নৌকা করে ওই জায়গায় বাঁশের খাঁচা ফেলা হচ্ছে। বর্ষা শেষে নদীর জল কমলে স্থায়ী ভাবে কংক্রিটের ঢালাই করে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হবে। কাজের গতি যাতে বাড়ে সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বনাথ বিশ্বাস বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে কোনোরকমে কাজ শুরু হয়েছে। কর্মীর সংখ্যা একেবারে কম। যে এলাকায় ভাঙন হচ্ছে তার নিচে গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। নৌকো করে সবেমাত্র বাঁশের খাচা ফেলা হচ্ছে। এখানে দ্রুত কাজ না করলে জল বাড়লে আবার ভাঙ্গন দেখা দেবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ