সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: অবশেষে মাল পুরসভায় চেয়ারম্যান স্বপন সাহার ‘দাপট’ বন্ধ হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার মাল পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ের পর মন্ত্রী বুলুচিক বড়াইক সাংবাদিকদের সামনে জানিয়ে দেন, মাল পুরসভা পরিচালনার দায়িত্ব সামলাবেন ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি।
Advertisement
এদিন দুপুরে সাড়ে তিন ঘণ্টা পুরসভায় কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠক করেন মন্ত্রী। বৈঠকে অবশ্য স্বপন সাহা নিজেও ছিলেন। পর পর দু’বার বৈঠক থেকে স্বপন সাহাকে মুখভার করে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। স্বপনবাবু অবশ্য সাংবাদিকদের সামনে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। শুধু বলেছেন, যা বলার মন্ত্রী বলবেন।
মন্ত্রী বলেন, দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার থেকে মাল পুরসভা পরিচালনার দায়িত্ব সামলাবেন ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি। তাঁকে বলা হয়েছে দায়িত্ব সামলাতে। সূত্রের খবর, স্বপন সাহার বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। এরমধ্যে যেমন রয়েছে বিনা টেন্ডারে ঠিকাদারদের দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া। রয়েছে বাংলা আবাস যোজনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ। এদিন বোর্ড মিটিংয়ে উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়।
উৎপল বলেন, পানীয় জন, কর্মচারিদের বেতন ও পুরপরিষেবা নিয়ে এদিন বোর্ড মিটিং ছিল। সেখানে মন্ত্রী ছিলেন। দলের নির্দেশ মতো আমি গত কয়েকমাস ধরে পুরসভা পরিচালনার দায়িত্ব সামলে আসছি।
উল্লেখ্য, আবাস যোজনা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয় স্বপন সাহাকে। এরপর টানা দেড়মাস ছুটি নিয়ে বাড়িতে বসেছিলেন তিনি। গত নভেম্বর মাস থেকে অফিসে আসা শুরু করেন স্বপনবাবু।
মন্ত্রী বলেন, দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার থেকে মাল পুরসভা পরিচালনার দায়িত্ব সামলাবেন ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি। তাঁকে বলা হয়েছে দায়িত্ব সামলাতে। সূত্রের খবর, স্বপন সাহার বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। এরমধ্যে যেমন রয়েছে বিনা টেন্ডারে ঠিকাদারদের দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া। রয়েছে বাংলা আবাস যোজনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ। এদিন বোর্ড মিটিংয়ে উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়।
উৎপল বলেন, পানীয় জন, কর্মচারিদের বেতন ও পুরপরিষেবা নিয়ে এদিন বোর্ড মিটিং ছিল। সেখানে মন্ত্রী ছিলেন। দলের নির্দেশ মতো আমি গত কয়েকমাস ধরে পুরসভা পরিচালনার দায়িত্ব সামলে আসছি।
উল্লেখ্য, আবাস যোজনা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয় স্বপন সাহাকে। এরপর টানা দেড়মাস ছুটি নিয়ে বাড়িতে বসেছিলেন তিনি। গত নভেম্বর মাস থেকে অফিসে আসা শুরু করেন স্বপনবাবু।



