সংবাদদাতা,ঝাড়গ্রাম: এতকাল আর্থিক সমস্যার কবলে পড়ে নিরুপায় হয়ে চাষ করতেন বাবুই ঘাস। ঝাড়গ্রামের প্রত্যন্ত নয়াগ্রামের জঙ্গল অধ্যুষিত এলাকার গরিব মানুষের এটাই ছিল উপার্জনের একমাত্র উপায়।হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে এই চাষ করতে হতো। একটু অসাবধান হলে বাবুই ঘাষে হাত পা চিরে রক্ত বেরিয়ে যেত। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বিনামূল্যে রেশনে চাল ও আটা পাচ্ছেন সমস্ত প্রান্তিক গরিব মানুষ। সেই সঙ্গে মহিলারা মাসে এক হাজার টাকা (এসসি-এসটিদের ক্ষেত্রে মাসে দেড় হাজার টাকা।) লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। ফলে স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে পেয়ে এলাকার বেশিরভাগ মানুষজন হাড়খাটুনি পরিশ্রমের বাবুই চাষ থেকে হাত গুটিয়েছেন।
Advertisement
এই নিয়ে নয়াগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রূপা বেরা বলেন, এলাকার মানুষের আগের মতো সেই অভাব নেই। বিনামূল্যে রেশনের চাল পাচ্ছেন। সেই সঙ্গে পাচ্ছেন লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকা। আগে যাঁরা বাবুই ঘাসের চাষ করতেন, এখন তাঁরাই বলেন, পরিশ্রম করতে আর পারছি না। এতে লাভ নেই। বাজারদর ভালো যাচ্ছে না।বাবুই চাষ নিয়ে অসুবিধা থাকলে, তাঁরা লোনের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলতেন। কিন্তু সেরকম কোনও আবেদন আমাদের কাছে কেউ করেননি।
জঙ্গলের ফাঁকে ডাহি জায়গাতে বর্ষাকালে এই বাবুই ঘাস রোপণ করা হয়। সেই ঘাস বড় হলে ভাদ্র-আশ্বিন মাসে কাটা হয়। আগে নয়াগ্রামের প্রায় সমস্ত গ্রামপঞ্চায়েত এলাকাতেই বাবুই চাষ টিকে ছিল। এখন তেলিয়া, কুলডিহা, রাঙিয়াম, পাতিনা, কদমডিহা সহ মাত্র কয়েকটি গ্রামে এই চাষ হয়। নয়াগ্রামের নিগুই হাটটি মূলত বাবুই কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। এই নিয়ে এলাকার এক চাষি বলেন, জঙ্গলে শালপাতা থেকে এখন সবাই আয় বেশি করছেন। হাটগুলিতে জঙ্গলের শালপাতার প্রচুর চাহিদা। ওড়িশার মহাজনরা এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। সে কারণে বাবুই চাষের প্রতি কারও মন নেই। বেশিরভাগ বনবিভাগের জায়গার উপরেই লোকজন এই চাষ করতেন। সে জায়গায় বৃক্ষরোপণ করায় বাবুই চাষের জায়গা কমে গিয়েছে। বাবুইয়ের কাজে খাটুনি প্রচুর। সেই মতো রোজগার হয় না। সম্প্রতি পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় এলাকা ও বেলপাহাড়ি থেকে শুকনো বাবুই আমদানি করা হয়। এলাকার লোকজন তা দড়ি পাকিয়ে বিক্রি করেন মাত্র। পাশের ওড়িশা রাজ্যের পুরাণ জাতিরা এই বাবুই দড়ির কারবার পুরো মাত্রায় টিকিয়ে রেখেছে।
এই নিয়ে নয়াগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন কৃষিসেচ কর্মাধ্যক্ষ বঙ্কিম ভক্তা বলেন, আমাদের পরিবারেই প্রচুর পরিমাণে বাবুই চাষ হতো। এটা খুব কষ্টের কাজ। বাবুই রোপণ করার পর দেড়-দু’ বছর অপেক্ষা করতে হয়। তারপর কাটা হয়। রেশন থেকে বিনামূল্যে চাল পাওয়ার পর মানুষ আর কষ্ট করে এই চাষে ঝুঁকি নিচ্ছেন না।
জঙ্গলের ফাঁকে ডাহি জায়গাতে বর্ষাকালে এই বাবুই ঘাস রোপণ করা হয়। সেই ঘাস বড় হলে ভাদ্র-আশ্বিন মাসে কাটা হয়। আগে নয়াগ্রামের প্রায় সমস্ত গ্রামপঞ্চায়েত এলাকাতেই বাবুই চাষ টিকে ছিল। এখন তেলিয়া, কুলডিহা, রাঙিয়াম, পাতিনা, কদমডিহা সহ মাত্র কয়েকটি গ্রামে এই চাষ হয়। নয়াগ্রামের নিগুই হাটটি মূলত বাবুই কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। এই নিয়ে এলাকার এক চাষি বলেন, জঙ্গলে শালপাতা থেকে এখন সবাই আয় বেশি করছেন। হাটগুলিতে জঙ্গলের শালপাতার প্রচুর চাহিদা। ওড়িশার মহাজনরা এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। সে কারণে বাবুই চাষের প্রতি কারও মন নেই। বেশিরভাগ বনবিভাগের জায়গার উপরেই লোকজন এই চাষ করতেন। সে জায়গায় বৃক্ষরোপণ করায় বাবুই চাষের জায়গা কমে গিয়েছে। বাবুইয়ের কাজে খাটুনি প্রচুর। সেই মতো রোজগার হয় না। সম্প্রতি পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় এলাকা ও বেলপাহাড়ি থেকে শুকনো বাবুই আমদানি করা হয়। এলাকার লোকজন তা দড়ি পাকিয়ে বিক্রি করেন মাত্র। পাশের ওড়িশা রাজ্যের পুরাণ জাতিরা এই বাবুই দড়ির কারবার পুরো মাত্রায় টিকিয়ে রেখেছে।
এই নিয়ে নয়াগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন কৃষিসেচ কর্মাধ্যক্ষ বঙ্কিম ভক্তা বলেন, আমাদের পরিবারেই প্রচুর পরিমাণে বাবুই চাষ হতো। এটা খুব কষ্টের কাজ। বাবুই রোপণ করার পর দেড়-দু’ বছর অপেক্ষা করতে হয়। তারপর কাটা হয়। রেশন থেকে বিনামূল্যে চাল পাওয়ার পর মানুষ আর কষ্ট করে এই চাষে ঝুঁকি নিচ্ছেন না।



