নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি হয়েছে বাসস্ট্যান্ড। কিন্তু, পুরুলিয়ার সেই বাসস্ট্যান্ডই দিনের পর দিন চলে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের দখলে। কয়েকমাস আগেই এইসব দখলদারির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো এবার আগ্রাসন রুখবে। কিন্তু, পরিস্থিতির এতটুকুও বদল হয়নি, তা ফের নজরে এল পুরুলিয়ায়। পুরসভার অনুমোদন ছাড়াই, পুরুলিয়া শহরের বাসস্ট্যান্ডে তৈরি হচ্ছে কংক্রিটের অবৈধ নির্মাণ। বিষয়টি নজরে আসতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কাদের মদতে তৈরি হচ্ছিল অবৈধ নির্মাণ?
Advertisement
চেয়ারম্যান বলেন, মিনি বাসস্ট্যান্ডে পুরসভার তরফে কয়েকটি স্টল তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। তবে, খবর পেয়ে গিয়ে দেখি, সেই স্টলের পাশেই অবৈধভাবে আরও কয়েকটি দোকান তৈরি হচ্ছে। কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এক ঠিকাদার ওই নির্মাণকাজ করছিল বলে জেনেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুরসভায় ডাকা হয়েছে। চেয়ারম্যানের সংযোজন, পুরুলিয়া পুরসভা এলাকায় নতুন করে আর ফুটপাত, বাসস্ট্যান্ড দখল করতে দেব না। কোনও অবৈধ নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না।
পুরসভা সূত্রের খবর, কয়েক বছর আগে মিনি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মোট ছ’টি স্টল তৈরি করে দেয় পুরসভা। এতে পুরসভার ভাঁড়ারও পুষ্ট হয়। অভিযোগ, তার পাশেই কংক্রিটের স্টল তৈরির কাজ চলছিল।
স্থানীয় অটো চালক, নিত্যযাত্রীরা বলেন, পুরুলিয়া জেলার বাসস্ট্যান্ড চত্বরের অধিকাংশ এলাকাই হকারদের দখলে চলে গিয়েছে। বাসস্ট্যান্ডে বাস যে সুষ্ঠুভাবে প্রবেশ করবে, তার উপায় নেই। তারপরেও যদি এভাবে দখলদারি চলতে থাকে, তাহলে তো বাস আর স্ট্যান্ডে প্রবেশই করতে পারবে না। তাঁদের অভিযোগ, বাসস্ট্যান্ডের মধ্যেও ঠেলাগাড়ি নিয়ে হকারদের দাপট লেগেই রয়েছে। এর জন্য ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হয় যাত্রীদের। বাসস্ট্যান্ডে প্রবেশ না করে বহু যাত্রী ব্যস্ত রাস্তার উপরেই বাসের অপেক্ষায় দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। যাত্রীদের দাবি, দখলদারির বিরুদ্ধে পুরসভাকে বার বার আবেদন করার পরেও লাভ হয়নি। পুরুলিয়া শহর থেকে দৈনিক রঘুনাথপুরের একটি স্কুলে যান তপন মাহাত। ওই শিক্ষক বলেন, এমনিতেই বাসস্ট্যান্ড প্রচণ্ড অপরিচ্ছন্ন, অস্বাস্থ্যকর। তার উপর যেভাবে দখলদারি বাড়ছে তা খুবই বিপজ্জনক। অবিলম্বে বাসস্ট্যান্ড দখলমুক্ত করার আবেদনও জানিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, বাসস্ট্যান্ড দখল করে এই নির্মাণের পিছনে কারা রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ, এর পিছনে একাধিক কাউন্সিলার রয়েছে বলে অভিযোগ। বাসস্ট্যান্ডের দোকান বিক্রি করে মোটা টাকা আয় করাই তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন এক ঠিকাদারও। কিন্তু, চেয়ারম্যান বাধা দেওয়ায় যার পরনাই ক্ষুব্ধ তাঁরা। এনিয়ে তৃণমূলের শহর সভাপতি তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল প্রদীপ ডাগা বলেন, বাসস্ট্যান্ড চত্বরে যে সমস্ত দখলদারি রয়েছে, তাদের কীভাবে পুনর্বাসন দিয়ে বাসস্ট্যান্ড দখলমুক্ত করা যায়, আমরা সে ব্যাপারে ভাবছি। কিন্তু, যদি কাউন্সিলারদের একাংশ জোট বেঁধে অবৈধ দখলদারিতে মদত দিতে থাকে তাহলে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
পুরসভা সূত্রের খবর, কয়েক বছর আগে মিনি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মোট ছ’টি স্টল তৈরি করে দেয় পুরসভা। এতে পুরসভার ভাঁড়ারও পুষ্ট হয়। অভিযোগ, তার পাশেই কংক্রিটের স্টল তৈরির কাজ চলছিল।
স্থানীয় অটো চালক, নিত্যযাত্রীরা বলেন, পুরুলিয়া জেলার বাসস্ট্যান্ড চত্বরের অধিকাংশ এলাকাই হকারদের দখলে চলে গিয়েছে। বাসস্ট্যান্ডে বাস যে সুষ্ঠুভাবে প্রবেশ করবে, তার উপায় নেই। তারপরেও যদি এভাবে দখলদারি চলতে থাকে, তাহলে তো বাস আর স্ট্যান্ডে প্রবেশই করতে পারবে না। তাঁদের অভিযোগ, বাসস্ট্যান্ডের মধ্যেও ঠেলাগাড়ি নিয়ে হকারদের দাপট লেগেই রয়েছে। এর জন্য ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হয় যাত্রীদের। বাসস্ট্যান্ডে প্রবেশ না করে বহু যাত্রী ব্যস্ত রাস্তার উপরেই বাসের অপেক্ষায় দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। যাত্রীদের দাবি, দখলদারির বিরুদ্ধে পুরসভাকে বার বার আবেদন করার পরেও লাভ হয়নি। পুরুলিয়া শহর থেকে দৈনিক রঘুনাথপুরের একটি স্কুলে যান তপন মাহাত। ওই শিক্ষক বলেন, এমনিতেই বাসস্ট্যান্ড প্রচণ্ড অপরিচ্ছন্ন, অস্বাস্থ্যকর। তার উপর যেভাবে দখলদারি বাড়ছে তা খুবই বিপজ্জনক। অবিলম্বে বাসস্ট্যান্ড দখলমুক্ত করার আবেদনও জানিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। তবে, বাসস্ট্যান্ড দখল করে এই নির্মাণের পিছনে কারা রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ, এর পিছনে একাধিক কাউন্সিলার রয়েছে বলে অভিযোগ। বাসস্ট্যান্ডের দোকান বিক্রি করে মোটা টাকা আয় করাই তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন এক ঠিকাদারও। কিন্তু, চেয়ারম্যান বাধা দেওয়ায় যার পরনাই ক্ষুব্ধ তাঁরা। এনিয়ে তৃণমূলের শহর সভাপতি তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল প্রদীপ ডাগা বলেন, বাসস্ট্যান্ড চত্বরে যে সমস্ত দখলদারি রয়েছে, তাদের কীভাবে পুনর্বাসন দিয়ে বাসস্ট্যান্ড দখলমুক্ত করা যায়, আমরা সে ব্যাপারে ভাবছি। কিন্তু, যদি কাউন্সিলারদের একাংশ জোট বেঁধে অবৈধ দখলদারিতে মদত দিতে থাকে তাহলে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।



