নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ভূমিহীন পরিবাররাও‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের বাড়ি পাবেন। ঝাড়গ্রামে এসে এমনই বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তাঁর সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি। ঝাড়গ্রাম শহরের পাঁচশোর বেশি দুঃস্থ পরিবার জমির পাট্টা না পাওয়ায় বঞ্চিত হয়েছে বাংলা বাড়ি প্রকল্প থেকে। জেলার তৃণমূল নেতাকর্মীরাই প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
Advertisement
ঝাড়গ্রামে ২০ হাজার ১৮৩ জন ‘বাংলার বাড়ি’ পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর গ্ৰিভান্স সেলে ফোন করে পরবর্তীতে আরও ৬৫০ জন বাড়ি পান। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৯ জন বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। পুর এলাকার ৬০৪ জনের নাম আবাস তালিকাভুক্ত হয়েছিল। তারমধ্যে ২০০ জনের নাম নানা কারণে বাদ পড়ে। পুরসভার আধিকারিকদের বক্তব্য অনুযায়ী,জমির পাট্টা না পাওয়া ও অন্য কারণে পাঁচশোর বেশি দুঃস্থ পরিবারকে বাড়ি দেওয়া যায়নি। যদিও তারা সকলেই বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। দানপত্র প্রক্রিয়ার মধ্যে বেশিকিছু মানুষকে অবশ্যই বাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যদিও তা উল্লেখযোগ্য নয়। জেলা শহরের ভিতরেই গরিব ব্যক্তিরা বাড়ি পাচ্ছেনা।এদিকে শহরে একের পর এক আকাশ ছোঁয়া আবাসন গড়ে উঠেছে। খাসজমি, রায়তি জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। জমি পুনরুদ্ধার করে তার সঠিক বিলি বন্দোবস্ত করার দাবি উঠছে নানা মহল থেকে। মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং ভূমিহীনদের বাংলার বাড়ি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না বলে উল্লেখ করেছেন।সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে।জেলার তৃণমূল নেতাকর্মীরাও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলছেন।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার টাকা না দেওয়ায় জেলার গরিব মানুষরা সরকারি বাড়ি থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। এরপর রাজ্য সরকার নিজ উদ্যোগে বাড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।তারপরেও শহরের ভূমিহীন,গরিব মানুষদের একটা অংশ বাড়ি পাচ্ছেন না। পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলার বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। পাট্টা না পাওয়া ও জমি জটিলতায় শহরে গরিব মানুষরা ঘর থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এদিকে নির্বিচারে খাসজমি দখল হয়ে যাচ্ছে। অন্যেরজমি দখল করেও অনেকের বসবাস করারঅভিযোগ রয়েছে।যা কারও অজানা নয়।ঊর্ধ্বতন প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হলে সমস্যার সমাধান সম্ভববলেই মনে করি। পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা বছর সত্তরের বেলারানি বেরা বলেন, এই এলাকায় কয়েক দশক ধরে আছি। ভাঙাচোরা বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতে হয়। জমির পাট্টা না পাওয়ায় প্রকল্পের বাড়ি পাচ্ছি না। মুখ্যমন্ত্রী ঝাড়গ্রাম এসে পাট্টা দেওয়ার কথা বলেছিলেন।কিন্তু এখনও জমির পাট্টা পাইনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের নিশ্চয়ই দেখবেন, এই বিশ্বাস ওঁর প্রতি আছে। অপর এক বাসিন্দা কালীশঙ্কর সাহা বলেন, এই এলাকার সাড়ে তিনশোর বেশি মানুষ জমির পাট্টা না পাওয়ায় আবাস প্রকল্পের বাড়ি পায়নি। পুরসভা থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সর্বস্তরে বিষয়টি নিয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।কিন্তু কাজ হয়নি। ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী জেলায় এসে ভূমিহীনদের জমির পাট্টা দিয়ে বাড়ি দেওয়ার কথা বলেছিলেন।সেই নির্দেশ এখনও কার্যকর হয়নি। জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হোক। গরিব মানুষরা মাথা গোঁজার ঠাঁই পাক।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার টাকা না দেওয়ায় জেলার গরিব মানুষরা সরকারি বাড়ি থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। এরপর রাজ্য সরকার নিজ উদ্যোগে বাড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।তারপরেও শহরের ভূমিহীন,গরিব মানুষদের একটা অংশ বাড়ি পাচ্ছেন না। পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলার বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। পাট্টা না পাওয়া ও জমি জটিলতায় শহরে গরিব মানুষরা ঘর থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এদিকে নির্বিচারে খাসজমি দখল হয়ে যাচ্ছে। অন্যেরজমি দখল করেও অনেকের বসবাস করারঅভিযোগ রয়েছে।যা কারও অজানা নয়।ঊর্ধ্বতন প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হলে সমস্যার সমাধান সম্ভববলেই মনে করি। পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা বছর সত্তরের বেলারানি বেরা বলেন, এই এলাকায় কয়েক দশক ধরে আছি। ভাঙাচোরা বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতে হয়। জমির পাট্টা না পাওয়ায় প্রকল্পের বাড়ি পাচ্ছি না। মুখ্যমন্ত্রী ঝাড়গ্রাম এসে পাট্টা দেওয়ার কথা বলেছিলেন।কিন্তু এখনও জমির পাট্টা পাইনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের নিশ্চয়ই দেখবেন, এই বিশ্বাস ওঁর প্রতি আছে। অপর এক বাসিন্দা কালীশঙ্কর সাহা বলেন, এই এলাকার সাড়ে তিনশোর বেশি মানুষ জমির পাট্টা না পাওয়ায় আবাস প্রকল্পের বাড়ি পায়নি। পুরসভা থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সর্বস্তরে বিষয়টি নিয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।কিন্তু কাজ হয়নি। ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী জেলায় এসে ভূমিহীনদের জমির পাট্টা দিয়ে বাড়ি দেওয়ার কথা বলেছিলেন।সেই নির্দেশ এখনও কার্যকর হয়নি। জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হোক। গরিব মানুষরা মাথা গোঁজার ঠাঁই পাক।



