সংবাদদাতা, সিউড়ি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া নির্দেশের পরও সিউড়ির প্রধান রাস্তাগুলি থেকে জবরদখল সরেনি। সিউড়ির বাস স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন রাস্তার ফুটপাত দখল করে রেখেছে ব্যবসায়ীরা। পুজোর আগে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যজুড়ে সরকারি জমি, সম্পত্তি, ফুটপাত দখল মুক্ত করার কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। তারপরই বীরভূম জেলাজুড়ে শুরু হয়েছিল ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান। সিউড়ি মহকুমার সিউড়ি, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়ায় পুরসভাগুলি দখলমুক্ত অভিযান শুরু করলেও পুজোর আগে সিউড়িতে সেই অভিযান মাঝপথে থমকে যায়।
Advertisement
সিউড়ি নেতাজি বাস টার্মিনাস চত্বরের ফুটপাত হকারদের দখলে চলে গিয়েছে। বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস ঢোকা ও বেরনোর দুই মুখেই বেআইনি দখলদারির কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে। বাস চালকদের অভিযোগ, ঢোকা বেড়নোর সময় খুব ঝুঁকি নিয়ে বাস চালাতে হয়। তাছাড়া বাস স্ট্যান্ডের ভেতরে যত্রতত্র ফুটপাতে বসে পড়েছেন ফল ব্যবসায়ীরা। রয়েছে বেআইনি পার্কিংও। ফলে বাস স্ট্যান্ডে নিত্যযাত্রীদের পা ফেলার জায়গাটুকু থাকে না বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে সিউড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে একদিকে দুবরাজপুরের রাস্তায় রবীন্দ্রপল্লি, সুভাষপল্লির ফুটপাত দখলদারির জন্য সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে বাস স্ট্যান্ড থেকে বোলপুর ও মাদ্রাসা রোড যাওয়ার দিকেও একাধিক জায়গায় রয়েছে বেআইনি দখলদারি। মাদ্রাসা রোডে ফুটপাত দখল করে স্থায়ী দোকানপাট তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে এসপি মোড়, চৈতালি মোড় থেকে মসজিদ মোড় এবং সেখান থেকে দত্তপুকুর অবধি রাস্তারও ফুটপাত দখল হয়েছে, বেআইনি পার্কিংয়ের জন্য সংকীর্ণ হচ্ছে রাস্তা।
বৃহস্পতিবার ফের নবান্ন থেকে জবরদখল মুক্ত করার জন্য কড়া নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তার নির্দেশের পর এখন সিউড়ি পুরসভার পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে শহরবাসী। যদিও পুরসভার দাবি, দখলমুক্ত অভিযান ফের শুরু হবে। তবে প্রাথমিক ভাবে পুরসভার তরফে হকারদের জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে কিছু জায়গায় হকারদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্য বিকল্প জায়গাও খুঁজছে পুরসভা। চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা পুলিস ও প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি। দ্রুত দখলমুক্ত অভিযানে নামা হবে। তার আগে হকারদেরও অনুরোধ করছি, তাঁরা যেন সরকারি জায়গা ছেড়ে দেন। কিছু ক্ষেত্রে আমরা পুনর্বাসন দেওয়ার চেষ্টা করছি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর করা হবে।
অন্যদিকে সিউড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে একদিকে দুবরাজপুরের রাস্তায় রবীন্দ্রপল্লি, সুভাষপল্লির ফুটপাত দখলদারির জন্য সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে বাস স্ট্যান্ড থেকে বোলপুর ও মাদ্রাসা রোড যাওয়ার দিকেও একাধিক জায়গায় রয়েছে বেআইনি দখলদারি। মাদ্রাসা রোডে ফুটপাত দখল করে স্থায়ী দোকানপাট তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে এসপি মোড়, চৈতালি মোড় থেকে মসজিদ মোড় এবং সেখান থেকে দত্তপুকুর অবধি রাস্তারও ফুটপাত দখল হয়েছে, বেআইনি পার্কিংয়ের জন্য সংকীর্ণ হচ্ছে রাস্তা।
বৃহস্পতিবার ফের নবান্ন থেকে জবরদখল মুক্ত করার জন্য কড়া নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তার নির্দেশের পর এখন সিউড়ি পুরসভার পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে শহরবাসী। যদিও পুরসভার দাবি, দখলমুক্ত অভিযান ফের শুরু হবে। তবে প্রাথমিক ভাবে পুরসভার তরফে হকারদের জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে কিছু জায়গায় হকারদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্য বিকল্প জায়গাও খুঁজছে পুরসভা। চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা পুলিস ও প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি। দ্রুত দখলমুক্ত অভিযানে নামা হবে। তার আগে হকারদেরও অনুরোধ করছি, তাঁরা যেন সরকারি জায়গা ছেড়ে দেন। কিছু ক্ষেত্রে আমরা পুনর্বাসন দেওয়ার চেষ্টা করছি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর করা হবে।



