নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর সরিয়ে দেওয়া হল মোহনপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মানিক মাইতিকে। নতুন ব্লক সভাপতি পদে বসলেন দাঁতন বিধানসভার বিধায়ক বিক্রম প্রধান। মঙ্গলবার তৃণমূলের জেলা কার্যালয় থেকে জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা সভাপতি এই কথা জানান। পাশাপাশি তিনি এই বিষয়ে একটি ভিডিও বার্তাও দেন। এই ঘটনায় তৃণমূলের অন্দরে শোরগোল পড়ে যায়। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলাজুড়ে আরও একাধিক ব্লক সভাপতি পদ হারাতে পারেন। জল্পনা সামনে আসতেই অন্যান্য ব্লক সভাপতিদের স্নায়ুর চাপ বাড়তে শুরু করেছে। তৃণমূলের এক নেতার কথায়, ইতিমধ্যেই প্রতিটি ব্লক থেকে তিনজন করে নেতার নামের লিস্ট তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁদের মধ্যে একজন হবেন ব্লক সভাপতি। স্থানীয় বিধায়করা সেই লিস্ট তৈরি করবেন। এরপর সেই নামের তালিকা নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা করবে তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব। লিস্টে থাকা নামের তালিকা খুঁটিয়ে পর্যালোচনার পরেই দলের তরফে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মূলত ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে সাংগঠনিক রদবদল আনা হচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
Advertisement
সুজয় হাজরা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সাংগঠনিক রদবদল করা হল। আবারও বলছি দলের ঊর্ধ্বে কেউ নেই। সকলকেই দলের নির্দেশ মেনেই চলতে হবে। বিক্রমবাবুকে অভিনন্দন জানাই। পরবর্তী সময়ে দল মানিকবাবুকে নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে মোহনপুর ব্লকে খারাপ ফলাফল করে তৃণমূল। প্রায় ৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই সময় ব্লক সভাপতির পদে ছিলেন প্রদীপ পাত্র। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। তারপরেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ২০২০ সালে মোহনপুর ব্লক সভাপতির পদে বসেন মানিক মাইতি। পেশায় শিক্ষক মানিক মাইতিকে সামনে রেখেই একুশের বিধানসভা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে জয় পায় তৃণমূল। কিন্তু মানিকবাবুর প্রতি ব্লক তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে শুরু করে। যা নিয়ে বেশ দোলাচলে ছিল জেলা নেতৃত্ব। এনিয়ে দলের অভ্যন্তরে গোষ্ঠীকোন্দল চরমে ওঠে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মানিকবাবুকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন নেতৃত্বের একাংশ। এরপর বিধায়ক বিক্রম প্রধানকে ব্লকের সভাপতি করার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব।
এদিন বিক্রমবাবু বলেন, দল যা নির্দেশ দেবে সেই অনুযায়ী কাজ করব। মানুষের জন্য কাজ করাই প্রধান উদ্দেশ্য। সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে চাই।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, জেলাজুড়ে গোষ্ঠীকোন্দল চরমে উঠেছে। গোষ্ঠিবাজির জেরেই রাতারাতি মানিকবাবুকে সরিয়ে দেওয়া হল। বিধায়ক বিক্রম প্রধানের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে শুধু ব্লকস্তরে নয়, বুথস্তরেও পরিবর্তন করা হবে। গোষ্ঠীকোন্দল কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জেলাস্তরে এনিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে।
প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মানিক মাইতি বলেন, দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেভাবেই চলবে। নতুন ব্লক সভাপতিকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমাকে কী কারণে সরিয়ে দেওয়া হল তা বলা হয়নি।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে মোহনপুর ব্লকে খারাপ ফলাফল করে তৃণমূল। প্রায় ৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই সময় ব্লক সভাপতির পদে ছিলেন প্রদীপ পাত্র। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। তারপরেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ২০২০ সালে মোহনপুর ব্লক সভাপতির পদে বসেন মানিক মাইতি। পেশায় শিক্ষক মানিক মাইতিকে সামনে রেখেই একুশের বিধানসভা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে জয় পায় তৃণমূল। কিন্তু মানিকবাবুর প্রতি ব্লক তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে শুরু করে। যা নিয়ে বেশ দোলাচলে ছিল জেলা নেতৃত্ব। এনিয়ে দলের অভ্যন্তরে গোষ্ঠীকোন্দল চরমে ওঠে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মানিকবাবুকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন নেতৃত্বের একাংশ। এরপর বিধায়ক বিক্রম প্রধানকে ব্লকের সভাপতি করার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব।
এদিন বিক্রমবাবু বলেন, দল যা নির্দেশ দেবে সেই অনুযায়ী কাজ করব। মানুষের জন্য কাজ করাই প্রধান উদ্দেশ্য। সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে চাই।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, জেলাজুড়ে গোষ্ঠীকোন্দল চরমে উঠেছে। গোষ্ঠিবাজির জেরেই রাতারাতি মানিকবাবুকে সরিয়ে দেওয়া হল। বিধায়ক বিক্রম প্রধানের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে শুধু ব্লকস্তরে নয়, বুথস্তরেও পরিবর্তন করা হবে। গোষ্ঠীকোন্দল কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জেলাস্তরে এনিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে।
প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মানিক মাইতি বলেন, দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেভাবেই চলবে। নতুন ব্লক সভাপতিকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমাকে কী কারণে সরিয়ে দেওয়া হল তা বলা হয়নি।



