সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন থেকে আলিপুরদুয়ারে চা বলয়ের ভোটব্যাঙ্কে ধস নামতে শুরু করেছে বিজেপির। মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে হেরে বিজেপির ভোটব্যাঙ্কের এই ধসের ফাটল আরও চওড়া হয়েছে। দলের চা বলয়ের সংগঠন যে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সেকথা মানছেন পদ্মপার্টির নেতারাও। তার উপর গত ২৩ জানুয়ারি কালচিনির সুভাষিণী চা বাগানের মাঠে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় শ্রমিকদের উপচে পড়া ভিড় দেখে ছাব্বিশের ভোটের আগে আরও আতঙ্কিত জেলার বিজেপির নেতারা।
Advertisement
তাই চা শ্রমিকদের দলে টানতে ২৩ ফেব্রুয়ারি সুভাষিণী চা বাগানের মাঠেই পাল্টা জনসভার ডাক দিয়েছে বিজেপি। সভায় জেলার চা বাগানগুলি থেকে ২০ হাজার শ্রমিকের জমায়েতের টার্গেট নিয়েছে তারা। মুখ্যমন্ত্রীর সভা করে যাওয়া মাঠে বিজেপির পাল্টা জনসভা করার সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এই জনসভাকে পাল্টা সভা মানতে নারাজ পদ্ম শিবির।
তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, আলিপুরদুয়ার জেলায় বিজেপির সংগঠনে ধস নেমেছে। তার উপর সুভাষিণী চা বাগানের মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর শুধু সরকারি পরিষেবা অনুষ্ঠান ছিল। তাতেই শ্রমিকদের উপচে পড়া ভিড় দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বিজেপি। সেই জন্যই বিজেপি ওই মাঠে পাল্টা জনসভার ডাক দিয়েছে। কিন্তু তাতে আর কোনও লাভ হবে না বিজেপির। শ্রমিকরা বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ছাব্বিশে জেলায় ৫-০ ফলে জিতছি।
মুখ্যমন্ত্রী সভা করে গিয়েছিলেন বলেই কি সুভাষিণীর মাঠে পাল্টা সভার ডাক দিল বিজেপি? বিজেপির জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গা বলেন, চা বলয়ে দলের সংগঠন একটু নড়বড়ে হয়েছে ঠিকই কিন্তু তারজন্য আমরা চিন্তিত নই। ছাব্বিশেও আমরাই জিতব। আর সুভাষিণীর মাঠটি জেলার চা বলয়ের কেন্দ্রস্থলে। তাই ২৩ ফেব্রুয়ারির জনসভার জন্য সুভাষিণীর মাঠকে বেছে নেওয়া হয়েছে। কাজেই এটাকে পাল্টা সভা বলা যাবে না। সভায় ২০ হাজার জমায়েতের টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
২০১৯ সালের লোকসভা ভোট বিজেপি আলিপুরদুয়ারে প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে জিতেছিল। একুশের ভোটে জেলার পাঁচটি বিধানসভা আসনের পাঁচটিতেই জেতে বিজেপি। তারপরেই চব্বিশের ভোট থেকে বিজেপির সংগঠনে ধস নামা শুরু হয়। চব্বিশে জিতলেও বিজেপির ভোট আড়াই লক্ষ থেকে এক ধাক্কায় মাত্র ৭৬ হাজারে নেমে আসে। গত নভেম্বর মাসে মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে শাসকদল তৃণমূলের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপিকে। আবার একুশের বিধানসভা ভোটের পর বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, চা বলয়ে দলের সাংগঠনিক ভিত নড়ে গিয়েছে এটা বুঝতে পেরেছে বিজেপি। তাই ছাব্বিশের ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বিজেপি এখন থেকেই ঘুঁটি সাজাতে উঠে পড়ে লেগেছে। আর তারজন্যই মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা সভা হিসেবে বিজেপি সুভাষিণীর মাঠে জনসভার ডাক দিয়েছে।
তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, আলিপুরদুয়ার জেলায় বিজেপির সংগঠনে ধস নেমেছে। তার উপর সুভাষিণী চা বাগানের মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর শুধু সরকারি পরিষেবা অনুষ্ঠান ছিল। তাতেই শ্রমিকদের উপচে পড়া ভিড় দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বিজেপি। সেই জন্যই বিজেপি ওই মাঠে পাল্টা জনসভার ডাক দিয়েছে। কিন্তু তাতে আর কোনও লাভ হবে না বিজেপির। শ্রমিকরা বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ছাব্বিশে জেলায় ৫-০ ফলে জিতছি।
মুখ্যমন্ত্রী সভা করে গিয়েছিলেন বলেই কি সুভাষিণীর মাঠে পাল্টা সভার ডাক দিল বিজেপি? বিজেপির জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গা বলেন, চা বলয়ে দলের সংগঠন একটু নড়বড়ে হয়েছে ঠিকই কিন্তু তারজন্য আমরা চিন্তিত নই। ছাব্বিশেও আমরাই জিতব। আর সুভাষিণীর মাঠটি জেলার চা বলয়ের কেন্দ্রস্থলে। তাই ২৩ ফেব্রুয়ারির জনসভার জন্য সুভাষিণীর মাঠকে বেছে নেওয়া হয়েছে। কাজেই এটাকে পাল্টা সভা বলা যাবে না। সভায় ২০ হাজার জমায়েতের টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
২০১৯ সালের লোকসভা ভোট বিজেপি আলিপুরদুয়ারে প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে জিতেছিল। একুশের ভোটে জেলার পাঁচটি বিধানসভা আসনের পাঁচটিতেই জেতে বিজেপি। তারপরেই চব্বিশের ভোট থেকে বিজেপির সংগঠনে ধস নামা শুরু হয়। চব্বিশে জিতলেও বিজেপির ভোট আড়াই লক্ষ থেকে এক ধাক্কায় মাত্র ৭৬ হাজারে নেমে আসে। গত নভেম্বর মাসে মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে শাসকদল তৃণমূলের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপিকে। আবার একুশের বিধানসভা ভোটের পর বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, চা বলয়ে দলের সাংগঠনিক ভিত নড়ে গিয়েছে এটা বুঝতে পেরেছে বিজেপি। তাই ছাব্বিশের ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বিজেপি এখন থেকেই ঘুঁটি সাজাতে উঠে পড়ে লেগেছে। আর তারজন্যই মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা সভা হিসেবে বিজেপি সুভাষিণীর মাঠে জনসভার ডাক দিয়েছে।



