নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: প্রথমে পঞ্চায়েত ভোট। তারপর লোকসভা। শেষে সদ্যসমাপ্ত সিতাই বিধানসভা উপ নির্বাচন। সবক’টি ভোটেই কোচবিহারে বিজেপিকে কার্যত দুরমুশ করে ভালো ফল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখানে বিজেপি কার্যত ছন্নছাড়া। কিন্তু এরপরেও আত্মতৃপ্তির কোনও জায়গা নেই। কারণ জেলার ন’টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ছ’টি এখনও তৃণমূলের হাতছাড়া রয়েছে। এবার এই ছ’টি বিধানসভা বিজেপির হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া সহ জেলায় ন’টি বিধানসভা আসনে জয়লাভ করাই তৃণমূলের প্রধান টার্গেট। আর সেই লক্ষ্য পূরণে এখন থেকে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে তারা। বিগত নির্বাচনগুলিতে দলের জয়ের পিছনে প্রধান হাতিয়ারই হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন। তাই এই উন্নয়নকেই হাতিয়ার করে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ঝাঁপাবে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীর ৭০টিরও বেশি উন্নয়ন প্রকল্পকে জেলার প্রত্যেকটি বিধানসভার প্রতিটি বুথে ধারাবাহিকভাবে পৌঁছে দেওয়াই এখন রাজ্যের শাসকদলের টার্গেট।
Advertisement
একএকটি প্রকল্পকে একএকটি বিধানসভায় আলাদা আলাদা করে প্রচারে এনে তা মানুষের সামনে তুলে ধরতে চাইছে তৃণমূল। পাশাপাশি বুথস্তরের নেতৃত্বকে বুথে থেকে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এক বুথের কর্মী যাতে অন্য বুথে না যান, এই বিষয়টির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। দলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক এলাকায় এলাকায় জনসংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজে বুথে বুথে গিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনছেন এবং সমাধান করার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
জেলা তৃণমূল সভাপতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের সবক’টি প্রকল্প নিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে বিধানসভাভিত্তিক প্রচার চালাচ্ছি। এ নিয়ে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন লাগানো হবে। বুথের কর্মীদের সেই প্রকল্পগুলিকে নিজের এলাকায় প্রতিদিনের ভিত্তিতে প্রচারে আনতে বলা হয়েছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলবে। নেতৃত্ব বাদে বুথের কর্মীরা নিজের বুথের বাইরে যাবেন না। নিজের জায়গায় থেকে এলাকার মানুষের সঙ্গে কাজ করবেন। প্রচার চালাবেন।
কোচবিহার জেলায় একসময় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব একেবারে খোলা ময়দানে চলে এসেছিল। যার ফল দলকে ভুগতে হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। তার ফলও দল হাতেনাতে পাচ্ছে। চব্বিশের লোকসভা ও সম্প্রতি সিতাই উপ নির্বাচনের ফল তার বড় প্রমাণ। এবার বিধানসভা ভোটে জয়ের লক্ষ্যে ধারাবাহিক প্রচারে নামতে যাচ্ছে দল।
জেলা তৃণমূল সভাপতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের সবক’টি প্রকল্প নিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে বিধানসভাভিত্তিক প্রচার চালাচ্ছি। এ নিয়ে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন লাগানো হবে। বুথের কর্মীদের সেই প্রকল্পগুলিকে নিজের এলাকায় প্রতিদিনের ভিত্তিতে প্রচারে আনতে বলা হয়েছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত এই কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলবে। নেতৃত্ব বাদে বুথের কর্মীরা নিজের বুথের বাইরে যাবেন না। নিজের জায়গায় থেকে এলাকার মানুষের সঙ্গে কাজ করবেন। প্রচার চালাবেন।
কোচবিহার জেলায় একসময় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব একেবারে খোলা ময়দানে চলে এসেছিল। যার ফল দলকে ভুগতে হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। তার ফলও দল হাতেনাতে পাচ্ছে। চব্বিশের লোকসভা ও সম্প্রতি সিতাই উপ নির্বাচনের ফল তার বড় প্রমাণ। এবার বিধানসভা ভোটে জয়ের লক্ষ্যে ধারাবাহিক প্রচারে নামতে যাচ্ছে দল।



