নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তায় উদ্দীপ্ত শিলিগুড়ির জোড়ফুল শিবির। বৃহস্পতিবার কলকাতায় নেতাজি ইন্ডোরে নেত্রীর সভার পরই শিলিগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব প্রাথমিক আলোচনা করে ভূতুড়ে ভোটারের খোঁজে আরও জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ছাব্বিশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মার্চ মাস থেকে বিধানসভা কেন্দ্র ভিত্তিক গা ঘামানোর পরিকল্পনা নিয়েছে জোড়াফুল শিবির। তারা ২ মার্চ এ ব্যাপারে আলোচনায় বসতে পারে বলে খবর।
Advertisement
দার্জিলিং জেলায় তৃণমূলের দু’টি সাংগঠনিক জেলা কমিটি। শিলিগুড়ি মহকুমা নিয়ে দলের দার্জিলিং জেলা সমতল সাংগঠনিক জেলা কমিটি। এদিন দলের জেলা সভানেত্রী (সমতল) পাপিয়া ঘোষ, চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তী, মেয়র গৌতম দেব, শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৭ জন কাউন্সিলার, মহকুমা পরিষদের আটজন সদস্য, চারটি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ সভাপতি, ২২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ প্রধান সহ ১৮০ জন নেতাজি ইন্ডোরে গিয়েছিলেন।
অলোক চক্রবর্তী বলেন, এখানে সচিত্র ভোটার তালিকা নিয়ে বুথস্তরে আলোচনা ও পর্যবেক্ষণ কয়েকদিন আগেই শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় আমরা চনমনে। সভার পরই দলের জেলা সভানেত্রী সহ বেশ কয়েকজন নেতাকে নিয়ে আলোচনা করি। তাতে ভূতুড়ে ভোটারের খোঁজে আরও জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সচিত্র ভোটার তালিকা নিয়ে বুথস্তরে আলোচনার পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি যাওয়া হবে। নতুন ভোটারদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসে সচিত্র ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। খসড়া ভোটার তালিকায় তুলনায় মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। এখানে ২৭১ জন ভোটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৬৬৯। অবশ্য খসড়ার তুলনায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় শিলিগুড়ি কেন্দ্রে ১৯৬১ এবং ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রে ২৭০৭ ভোটার কমেছে। এনিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের আশঙ্কা, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি ও খড়িবাড়িতে ভুয়ো ভোটার রয়েছে। যাঁদের অধিকাংশ মৃত। এরবাইরে মণিপুর, অসম, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যের ভোটারদেরও নাম এখানে উঠেছে। যাঁদের নাম একাধিক কেন্দ্রে রয়েছে।
তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী (সমতল) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশমতো ভূতুড়ে ভোটারের খোঁজে অভিযান চলছে। এজন্য বুথস্তরে একাধিক টিম কাজ করছে। মার্চ মাসের মধ্যে অভিযান শেষ করে দলের রাজ্য কমিটির কাছে রিপোর্ট পাঠানো হবে।
একইসঙ্গে ছাব্বিশের নির্বাচন নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর, মার্চ মাস থেকেই জোড়ফুল শিবিরের নেতা-কর্মীরা বিধাসভা কেন্দ্র ভিত্তিক কর্মিসভা এবং পদযাত্রা করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের নেতাদের মধ্যে সমন্বয় আরও মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে। মেয়র তথা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা গৌতম দেবের পরামর্শের ভিত্তিতে দল ঘুঁটি সাজাবে বলেই খবর।
দলের জেলা চেয়ারম্যান (সমতল) বলেন, আর জেলা কমিটির বর্ধিত সভা করা হবে না। আগামী এক-দু’দিনের মধ্যে দলে আলোচনা করে বিধানসভা কেন্দ্র ভিত্তিক ‘ওয়ার্ম আপের’ নীল নকশা প্রস্তুত করা হবে।
প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে ছিলেন পাপিয়া ও অলোক। তাঁদের নেতৃত্বেই লোকসভা নির্বাচনে দলের ভোট বেড়েছে। দু’জনেরই বক্তব্য, অতীতের কায়দায় দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ছাব্বিশের ভোটে ঝড় তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
অলোক চক্রবর্তী বলেন, এখানে সচিত্র ভোটার তালিকা নিয়ে বুথস্তরে আলোচনা ও পর্যবেক্ষণ কয়েকদিন আগেই শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় আমরা চনমনে। সভার পরই দলের জেলা সভানেত্রী সহ বেশ কয়েকজন নেতাকে নিয়ে আলোচনা করি। তাতে ভূতুড়ে ভোটারের খোঁজে আরও জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সচিত্র ভোটার তালিকা নিয়ে বুথস্তরে আলোচনার পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি যাওয়া হবে। নতুন ভোটারদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসে সচিত্র ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। খসড়া ভোটার তালিকায় তুলনায় মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। এখানে ২৭১ জন ভোটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৬৬৯। অবশ্য খসড়ার তুলনায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় শিলিগুড়ি কেন্দ্রে ১৯৬১ এবং ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রে ২৭০৭ ভোটার কমেছে। এনিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের আশঙ্কা, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি ও খড়িবাড়িতে ভুয়ো ভোটার রয়েছে। যাঁদের অধিকাংশ মৃত। এরবাইরে মণিপুর, অসম, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যের ভোটারদেরও নাম এখানে উঠেছে। যাঁদের নাম একাধিক কেন্দ্রে রয়েছে।
তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী (সমতল) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশমতো ভূতুড়ে ভোটারের খোঁজে অভিযান চলছে। এজন্য বুথস্তরে একাধিক টিম কাজ করছে। মার্চ মাসের মধ্যে অভিযান শেষ করে দলের রাজ্য কমিটির কাছে রিপোর্ট পাঠানো হবে।
একইসঙ্গে ছাব্বিশের নির্বাচন নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর, মার্চ মাস থেকেই জোড়ফুল শিবিরের নেতা-কর্মীরা বিধাসভা কেন্দ্র ভিত্তিক কর্মিসভা এবং পদযাত্রা করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের নেতাদের মধ্যে সমন্বয় আরও মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে। মেয়র তথা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা গৌতম দেবের পরামর্শের ভিত্তিতে দল ঘুঁটি সাজাবে বলেই খবর।
দলের জেলা চেয়ারম্যান (সমতল) বলেন, আর জেলা কমিটির বর্ধিত সভা করা হবে না। আগামী এক-দু’দিনের মধ্যে দলে আলোচনা করে বিধানসভা কেন্দ্র ভিত্তিক ‘ওয়ার্ম আপের’ নীল নকশা প্রস্তুত করা হবে।
প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে ছিলেন পাপিয়া ও অলোক। তাঁদের নেতৃত্বেই লোকসভা নির্বাচনে দলের ভোট বেড়েছে। দু’জনেরই বক্তব্য, অতীতের কায়দায় দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ছাব্বিশের ভোটে ঝড় তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।



