নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নাম বিভ্রাটের জেরে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করা ব্যক্তির বদলে আবাসের টাকা ঢুকল অন্যজনের অ্যাকাউন্টে। নন্দীগ্রাম-১ব্লকের দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়নান গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। ওই গ্রামেই ভ্যানচালক শেখ মনিরুলের কাঁচাবাড়ি। তাই ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করে তিনি বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন। পঞ্চায়েতের কর্মীরা গ্রামের অন্য মনিরুলের বাড়ি সার্ভে করেন। তাঁর নাম আবাস লিস্টে নথিভুক্ত হয়। তাঁরই অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যায়। ওই ভুল জানাজানি হতেই ৮জানুয়ারি নন্দীগ্রাম-১বিডিও সৌমেন বণিক ওই ব্যক্তিকে টাকা ফেরতের জন্য চিঠি দিয়েছেন। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকেও ওই ব্যক্তিকে টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে। দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়নান গ্রামে দু’জন শেখ মনিরুল আছেন। একজনের বাবা শেখ জালাল। অন্য মনিরুলের বাবার নাম শেখ আইজুদ্দিন। শেখ জালালের পুত্র মনিরুল ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করেছিলেন। তালিকায় শেখ মনিরুলের নাম ছিল। তাঁর ফোন নম্বরও ছিল। কিন্তু, বাবার নাম ছিল না। পঞ্চায়েতের কর্মীরা বাড়ি সার্ভে করার সময় ফোন করতেই সুইচড অফ পান। এরপর তাঁরা আবেদনকারী শেখ মনিরুলের পরিবর্তে আইজুদ্দিনের ছেলে শেখ মনিরুলের বাড়িতে পৌঁছে যান। তাঁর বাড়ির অবস্থা দেখে আবাসে নাম নথিভুক্ত করেন। উপভোক্তা হিসেবে নাম অনুমোদন হওয়ার পর অ্যাকাউন্টে ৬০হাজার টাকা ঢুকে গিয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিডিও-র নির্দেশে দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা গোটা ঘটনার তদন্ত করেন। বিডিও-র কাছে রিপোর্ট যাওয়ার পরই তিনি শেখ আইজুদ্দিনের ছেলে মনিরুলকে চিঠি দিয়ে অন্য মণিরুলের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করার নির্দেশ দিয়েছেন।



