সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: আবাস যোজনায় ঘরের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে বলোয় ফোন করে আবাস না পাওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিলেন অনেকে। তাঁদের ফোন নম্বরের সূত্রে ধরে খোঁজ নিয়ে ব্লকের টিম পৌঁছে যাচ্ছে আবেদনকারীদের বাড়ি। ২১ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত আবাস প্লাস ও পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্ট উপভোক্তাদের তালিকা ধরে ধরে জেলার আটটি ব্লকের উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করেছেন ব্লকের কর্মীরা। তবুও তালিকায় নাম নেই বলে মুখ্যমন্ত্রীকে বলোয় অভিযোগ জানিয়েছিলেন অনেকে। তারপরেই প্রশাসনের এই পদক্ষেপে ঘর পওয়ার আশা দেখছেন তাঁরা।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮টি ব্লকে প্রায় ৮৮ হাজার উপভোক্তা রয়েছেন। ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার ৭টি ব্লকে সমীক্ষার কাজ প্রায় শেষ হলেও হরিরামপুর অনেকটাই পিছিয়ে। গঙ্গারামপুরের বিডিও অর্পিতা ঘোষাল বলেন, আমাদের আবাসের তথ্য যাচায়ের কাজ শেষ। এখন গ্রিভান্স সেলে রিপোর্ট অনুযায়ী ৩৩৯ জনের তালিকা আমাদের কাছে এসেছে। ফোন নম্বর ধরে ব্লকের টিম উপভোক্তাদের বাড়ি গিয়ে অনুসন্ধানের কাজ করছে।
জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বিরোধীরা বলেছিল সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী ভোটের চমক। তারা এখন দেখুক কীভাবে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দিতে হয়। রাস্তাঘাট, পানীয় জল, পথবাতি সহ অন্যান্য বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে কাজ হচ্ছে।
জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর মন্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী আবাসের জন্য ব্যক্তিগত টাকা দেন না। প্রকৃত দারিদ্র সীমার নীচে থাকা বাসিন্দারা যেন ঘর পান। ঘর বণ্টন নিয়ে যেন রাজনীতি না হয়। গ্রামের অনেক গরিব মানুষের তালিকায় নাম নেই। যাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ঘরের জন্য ফোন করেছেন, তৃণমূলের সমর্থক বলেই মনে হচ্ছে। গোয়ালঘর ও রান্নাঘর দেখিয়ে ফের আবাস যোজনার সুবিধা নিতে তৈরি হয়েছে।
জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বিরোধীরা বলেছিল সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী ভোটের চমক। তারা এখন দেখুক কীভাবে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দিতে হয়। রাস্তাঘাট, পানীয় জল, পথবাতি সহ অন্যান্য বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে কাজ হচ্ছে।
জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর মন্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী আবাসের জন্য ব্যক্তিগত টাকা দেন না। প্রকৃত দারিদ্র সীমার নীচে থাকা বাসিন্দারা যেন ঘর পান। ঘর বণ্টন নিয়ে যেন রাজনীতি না হয়। গ্রামের অনেক গরিব মানুষের তালিকায় নাম নেই। যাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ঘরের জন্য ফোন করেছেন, তৃণমূলের সমর্থক বলেই মনে হচ্ছে। গোয়ালঘর ও রান্নাঘর দেখিয়ে ফের আবাস যোজনার সুবিধা নিতে তৈরি হয়েছে।



