সংবাদদাতা, কান্দি: ক্যান্সার আক্রান্ত নূরজাহান বিবির চিকিৎসা করতে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বরাদ্দ হল ৮৭ হাজার টাকা। দু’ মাস ধরে বন্ধ থাকার পর ওই টাকায় ফের চিকিৎসা শুরু হয়েছ ভরতপুর ১ ব্লকের করন্দি গ্রামের নূরজাহান বিবির।
Advertisement
গ্রামের নামুপাড়ার বাসিন্দা বছর চৌত্রিশের নূরজাহান বিবির স্বামী আবুল খায়ের রাজমিস্ত্রির জোগানদারের কাজ করেন। স্ত্রী ছাড়াও মা ও দুই সন্তানকে নিয়ে তাঁর সংসার। সামান্য রোজগারে সংসার চালিয়ে গত একবছর ধরে স্ত্রীর চিকিৎসাও চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। যা প্রায় অসম্ভব বলেই মানছেন পরিবারের অন্যান্যরা। স্ত্রীয়ের চিকিৎসা করতে গিয়ে সোনাদানা থেকে কাঁসার বাসনপত্রও বিক্রি করতে হয়েছে তাঁকে। নূরজাহানের শাশুড়ি আনসারা বিবি রলেন, বউমার একবছরের উপর ক্যান্সার ধরা পড়েছে। ওঁর ব্রেস্ট ক্যান্সার ছাড়াও তিনটি টিউমারও ছিল। প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে ও পরে মুম্বইয়ের টাটা ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা করতে হয়েছে। আর এই চিকিৎসা করতে গিয়ে বাড়ির সমস্ত কিছুই বিক্রি করতে হয়েছে। এখন বিক্রি করার মতো কিছুই নেই। তাই টাকার অভাবে প্রায় দু’ মাস ধরে ওষুধ পর্যন্ত কিনতে পারিনি।
খড়ের চালার দুই কামরার মাটির বাড়িতে বসবাস নূরজাহানদের। বারান্দায় রয়েছে একটি কাঠের চৌকি। সেখানেই দিনরাত বসেশুয়ে কাটান নূরজাহান। তিনি বলেন, প্রায় দু’ মাস আগে আমার স্বামী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ভরতপুর বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের কাছে গিয়েছিলেন। সেখানে আমাদের পরিবারের অসহায়তার কথা বলেন। এরপর বিধায়কের তৎপরতায় সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য ৮৭ হাজার টাকা পেয়েছি। পরে ফের চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এরজন্য একদিকে বিধায়ক ও অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই আমি ফের বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি।
হুমায়ুন কবীর বলেন, শুধু ওই মহিলার ক্ষেত্রে আমি তৎপরতা দেখিয়েছি তা নয়। গত তিনবছরে বিভিন্ন এলাকার এমন প্রায় ২০ থেকে ২৫টি পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ড থেকে আর্থিক সাহায্য পাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করেছি। এর জন্য আমি নই, ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার মুখ্যমন্ত্রী।
বিধায়কের সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি নবান্ন থেকে ওই মহিলার নামে ৮৭ হাজার টাকা চিকিৎসা খরচ হিসেবে দেওয়া হয়েছে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস ক্যান্সার হাসপাতালকে। বর্তমানে সেখানেই নূরজাহানের চিকিৎসা চলছে।
খড়ের চালার দুই কামরার মাটির বাড়িতে বসবাস নূরজাহানদের। বারান্দায় রয়েছে একটি কাঠের চৌকি। সেখানেই দিনরাত বসেশুয়ে কাটান নূরজাহান। তিনি বলেন, প্রায় দু’ মাস আগে আমার স্বামী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ভরতপুর বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের কাছে গিয়েছিলেন। সেখানে আমাদের পরিবারের অসহায়তার কথা বলেন। এরপর বিধায়কের তৎপরতায় সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য ৮৭ হাজার টাকা পেয়েছি। পরে ফের চিকিৎসা শুরু হয়েছে। এরজন্য একদিকে বিধায়ক ও অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই আমি ফের বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি।
হুমায়ুন কবীর বলেন, শুধু ওই মহিলার ক্ষেত্রে আমি তৎপরতা দেখিয়েছি তা নয়। গত তিনবছরে বিভিন্ন এলাকার এমন প্রায় ২০ থেকে ২৫টি পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ড থেকে আর্থিক সাহায্য পাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করেছি। এর জন্য আমি নই, ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার মুখ্যমন্ত্রী।
বিধায়কের সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি নবান্ন থেকে ওই মহিলার নামে ৮৭ হাজার টাকা চিকিৎসা খরচ হিসেবে দেওয়া হয়েছে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস ক্যান্সার হাসপাতালকে। বর্তমানে সেখানেই নূরজাহানের চিকিৎসা চলছে।



