Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

মুখ্যমন্ত্রী আবাসের সংস্কার, এবার কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্তে সিভিসি

মুখ্যমন্ত্রী আবাসের সংস্কার, এবার কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্তে সিভিসি
  • ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দিল্লির ভোটপ্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে সাধারণ কাউন্সিলার। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রমাণ করাই ছিল বিজেপির প্রধান লক্ষ্য। যে আম আদমি পার্টি দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের মুখ ছিল, তারাই ক্ষমতাসীন হয়ে যে সবথেকে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটা প্রমাণই ছিল একমাত্র টার্গেট। বিজেপি মনে করছে, ভোটের ফলাফলই প্রমাণ করছে যে, ওই লক্ষ্য সফল হয়েছে। কিন্তু দিল্লিতে নিছক ক্ষমতাসীন হয়েই বিজেপি নিজেদের লক্ষ্য সমাপ্ত বলে মনে করছে না। আপকে চরম ধাক্কা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নির্বাচনে যা ছিল প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেই অভিযোগ নিয়েই কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশন তদন্ত শুরু করছে। কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে সেন্ট্রাল পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্টকে নির্দেশ দিয়েছে সিভিসি। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর আবাসকে রাজাপ্রাসাদ বানাতে সচেষ্ট হন। সেই আবাসের সংস্কারে ৩৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সুইমিং পুল থেকে মহামূল্যবান আসবাব এবং রাজা মহারাজদের ধাঁচে সামগ্রী ক্রয় ও সাজানোকে বিজেপি শিসমহল আখ্যা দিয়েছে। প্রচারের সময় এই অভিযোগকে ভোটের অস্ত্র ভাবা হয়েছিল। কিন্তু শনিবার জানা গেল, এটা স্রেফ ভোটের অস্ত্র নয়। কঠোর পদক্ষেপই নিতে চলেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনের  কাছে সিপিডব্লুডি রিপোর্ট জমা দেবে। 
Advertisement
এর আগেই সিবিআই এবং ইডির মামলা চলছে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। আবগারি দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে দীর্ঘদিন জেলে রেখেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনের বিভাগীয় তদন্ত। এই ঘটনায় সরাসরি কেজরিওয়ালকেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত প্রমাণ করার প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ক্যাগ রিপোর্টে এই অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ মিলেছে। কিন্তু কেজরিওয়াল বলেছেন, সবটাই বৃহৎ চক্রান্ত। ক্যাগ রিপোর্টে কী কী অসামঞ্জস্য আছে, সেটা তিনি দেখিয়েছেন। কিন্তু এখন আর তিনি মুখ্যমন্ত্রী নন। তাঁর দলও ক্ষমতায় নেই। সুতরাং মনে করা হচ্ছে, একবার কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনের তদন্ত যখন শুরু হয়েছে, তখন কেজরিওয়ালকে একাধিক দুর্নীতি এবং অর্থ আত্মসাতের জালেই যুক্ত করা হবে। কারণ মুখ্যমন্ত্রী আবাস মেরামতি করতে ৩৩ কোটি ব্যয় হলেও, প্রথমে বলা হয়েছিল ৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এত বড় রাজপ্রসাদ কেন করা হল? কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে? এই অভিমুখেই তদন্ত করছে সিভিসি। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ