নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও দুই নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি ঘিরে সংঘাত। অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ‘এড়াতে’ ২০২৩ সালে নয়া আইন আনে কেন্দ্রের মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতা আগের মতো থাকলেও নয়া বাছাই কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয় প্রধান বিচারপতিকে। তাঁর বদলে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে আরও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। বিরোধীদের অভিযোগ, কমিটিতে তিন জনের মধ্যে দু’জনই সরকারপক্ষের হওয়ায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের প্রক্রিয়া আর নিরপেক্ষ থাকবে না। গণতন্ত্রের পক্ষে যা মোটেই ভালো বিজ্ঞাপন নয়। ২০২৩ সালের এই নয়া আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পেশ হয়েছে একঝাঁক আবেদন। বুধবার এবিষয়ে শুনানি দোলযাত্রা পর্যন্ত মুলতুবি করে দিল শীর্ষ আদালত। ঘটনাচক্রে, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে ওঠার আগেই দু’দিন আগে তড়িঘড়ি রাতদুপুরে নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্ঞানেশ কুমারের নাম ঘোষণা করে সরকার। বাছাই কমিটি থেকে প্রধান বিচারপতি বাদ পড়ায় এবিষয়ে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত গ্রহণে আপত্তি জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। যদিও সরকার সেই আপত্তি গ্রাহ্য না করেই নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম ঘোষণা করেছে।
Advertisement
এদিন বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং এন কোটীশ্বর সিংয়ের বেঞ্চ বলে, দোলযাত্রা মেটার পর এই বিষয়টি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হবে। তবে কবে তা হবে, সুনির্দিষ্ট কোনও তারিখ জানানো হয়নি। অন্যতম আবেদনকারী অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মসের হয়ে এদিন আদালতে উপস্থিত হন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তিনি বলেন, বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত শুনানি হওয়া প্রয়োজন। তবে তাঁর সেই বক্তব্য সত্ত্বেও শীর্ষ আদালত বিষয়টি দোলযাত্রা পর্যন্ত মুলতুবি রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।



