সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: একরত্তি শিশুকে কোলে নিয়ে রেললাইনে দিশাহীনভাবে ঘুরছেন অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলা। তিনি খানিকটা অসুস্থ। ওই মহিলা ট্রেন থেকে নেমে পড়েন, না কি অন্য কারণে রেললাইনের ধারে যান শুক্রবার সন্ধ্যে তা পর্যন্ত স্পষ্ট হয়নি। বৃহস্পতিবার দিনভর মেখলিগঞ্জ ব্লকের উছলপুকুরি এলাকায় শিশু কোলে বিপজ্জনকভাবে ঘুরে বেরিয়েছেন ওই মহিলা। কথাবার্তা ছিল অসংলগ্ন। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিস ও প্রশাসনিক মহলে খবর দেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিনভর অপেক্ষা করেও ঘটনাস্থলে পুলিস কিংবা কোনও প্রশাসনিক আধিকারিক পৌঁছননি। রাতে জামালদহের স্থানীয় বাসিন্দা ও এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তৎপরতায় শিশু সহ মহিলাকে উদ্ধার করে মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শুক্রবার মহিলার পরিচয় জানার চেষ্টা করা হয়।
Advertisement
হাসপাতাল সূত্রে প্রথমে জানা যায়, মহিলার বাড়ি কুচলিবাড়িতে। পরে পুলিস জানিয়েছে, কুচলিবাড়ি নয়, ওই মহিলার বাড়ি শিলিগুড়ি সংলগ্ন গুলমায়। নাম অঙ্কিতা মুন্ডা। স্বামীর নাম সিঙ্গম মুন্ডা। তাঁর কোলের সন্তানের বয়স মাত্র এক বছর। শনিবার পরিবারের হাতে মহিলাকে তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।
জামালদহের স্থানীয় বাসিন্দা মৃন্ময় ঘোষ সহ অন্যরা সন্তান সহ ওই মহিলাকে উদ্ধার করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় উছলপুকুরি থেকে শিশু সহ এক ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কোথা থেকে কিভাবে মহিলাটি এল, তা স্পষ্ট হয়নি।
এই ব্যাপারে মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডা: তাপসকুমার দাস বলেন, মহিলা ও শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে সুস্থই রয়েছে। মেখলিগঞ্জ থানার ওসি মণিভূষণ সরকার বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। নিখোঁজ মহিলার বাড়ির লোকের খোঁজ মিলেছে। নিয়ম মেনে পরিবারের হাতে শিশু ও মহিলাকে তুলে দেওয়া হবে।
জামালদহের স্থানীয় বাসিন্দা মৃন্ময় ঘোষ সহ অন্যরা সন্তান সহ ওই মহিলাকে উদ্ধার করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় উছলপুকুরি থেকে শিশু সহ এক ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কোথা থেকে কিভাবে মহিলাটি এল, তা স্পষ্ট হয়নি।
এই ব্যাপারে মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডা: তাপসকুমার দাস বলেন, মহিলা ও শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে সুস্থই রয়েছে। মেখলিগঞ্জ থানার ওসি মণিভূষণ সরকার বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। নিখোঁজ মহিলার বাড়ির লোকের খোঁজ মিলেছে। নিয়ম মেনে পরিবারের হাতে শিশু ও মহিলাকে তুলে দেওয়া হবে।



