সংবাদদাতা, কাঁথি: অভিযুক্ত নয়, অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেই আইনি পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিলেন বিচারক। সোমবার কাঁথি মহকুমা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত তথা পকসো কোর্টের ভারপ্রাপ্ত বিচারক অজয়েন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য এই রায় দিয়েছেন। তিনি অভিযুক্তকে মামলা থেকে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগকারী হলেন নির্যাতিতার মা। এর আগে গত অক্টোবর মাসে একই ধরনের রায় দিয়েছিলেন বিচারক।
Advertisement
ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালের ২০আগস্ট। পটাশপুর থানায় নির্যাতিতার মা অভিযোগ করে জানান, ওই বছর ১১জুন তাঁর ১৭বছর বয়সি মেয়ে টিউশনি পড়ে ফিরছিল। সেই সময় অভিযুক্ত সঞ্জয় পাল তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ঠাণ্ডা পানীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে খাইয়ে দেয়। নির্যাতিতা অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর তার উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়।
ঘটনার পর নির্যাতিতার মা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস দ্রুত তদন্ত শেষ করে এবং ধর্ষণ ও পকসো ধারায় চার্জশিট জমা দেয়। বিচার শুরু হলে অভিযোগকারী, নির্যাতিতা, তার বাবা আদালতে সাক্ষী দেন। দেখা যায়, অভিযোগের সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার চূড়ান্ত গরমিল রয়েছে, যা নিয়ে বিচারক অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সমস্ত দিক বিবেচনা করে বিচারপতি পকসোর ২২ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯১ ও ২১১ধারামতে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেই মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
বিচারক তাঁর রায়ে বলেছেন, পকসো আইন শিশুদের সুরক্ষার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই আইনকে হাতিয়ার করে যে কোনও ব্যক্তিকে অপরাধী বানানো অপরাধের শামিল। আইনজীবী আনন্দ দাস বলেন, পকসোর অপব্যবহার রুখতে কিংবা মিথ্যা ধর্ষণের মামলা রুখতে এই ধরনের রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মানুষ সচেতন হবেন এবং বুঝতে পারবেন, আইনকে আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে তার ফল হতে পারে বিপরীত।
ঘটনার পর নির্যাতিতার মা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস দ্রুত তদন্ত শেষ করে এবং ধর্ষণ ও পকসো ধারায় চার্জশিট জমা দেয়। বিচার শুরু হলে অভিযোগকারী, নির্যাতিতা, তার বাবা আদালতে সাক্ষী দেন। দেখা যায়, অভিযোগের সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার চূড়ান্ত গরমিল রয়েছে, যা নিয়ে বিচারক অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সমস্ত দিক বিবেচনা করে বিচারপতি পকসোর ২২ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৯১ ও ২১১ধারামতে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেই মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
বিচারক তাঁর রায়ে বলেছেন, পকসো আইন শিশুদের সুরক্ষার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই আইনকে হাতিয়ার করে যে কোনও ব্যক্তিকে অপরাধী বানানো অপরাধের শামিল। আইনজীবী আনন্দ দাস বলেন, পকসোর অপব্যবহার রুখতে কিংবা মিথ্যা ধর্ষণের মামলা রুখতে এই ধরনের রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মানুষ সচেতন হবেন এবং বুঝতে পারবেন, আইনকে আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলে তার ফল হতে পারে বিপরীত।



