মুম্বই: পুনের সরকারি বাস স্ট্যান্ডে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনার রেশ কাটেনি। তার মধ্যেই বিজেপি জোট শাসিত মহারাষ্ট্রের নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী রক্ষা খাদসে। তাঁর অভিযোগ, জলগাঁওয়ে শিবরাত্রির মেলায় গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছে তাঁর নাবালিকা মেয়ে। রক্ষার প্রশ্ন, ‘আমার মেয়েই যখন সুরক্ষিত নয়, তখন অন্যদের অবস্থা কী হবে? রাজ্যে আইনের শাসন ফিরিয়ে আনতে রাজ্য সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিক।’ রবিবার নিজে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন মন্ত্রী। পুলিস জানিয়েছে, সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পকসো ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের একজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে।
Advertisement
মহারাষ্ট্রে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট। তাই বিজেপি নেত্রীই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের পদত্যাগ দাবি করেছে তারা। মহাযুতি জোটের সরকারকেও কাঠগড়ায় তুলেছে হাত শিবির।
জলগাঁও জেলার রাভারের সাংসদ রক্ষা। সেখানকার কোঠালি এলাকায় প্রতি বছরই শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে মেলা বসে। গত শুক্রবার ওই মেলায় গিয়েছিল রক্ষার মেয়ে। সেখানে বেশ কয়েকজন যুবক ওই নাবালিকাকে হেনস্তা করে বলে অভিযোগ। ওই কিশোরী ও তাঁর বন্ধুদের ধাক্কা মারা হয়। অভিযুক্তরা হেনস্তার ভিডিও করে বলেও অভিযোগ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মেয়ের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও অভিযুক্তদের হাতাহাতি হয়। এদিন অভিযোগ দায়ের করার আগে তিনি বলেন, ‘আমি আজ কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা সাংসদ হিসেবে নয়, একজন মা হিসেবে বিচার চাইতে এসেছি।’ তাঁর দাবি, মহারাষ্ট্রজুড়ে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ বেড়ে গিয়েছে। অপরাধীরা আর ভয় পাচ্ছে না। অনেকেই ভয়ে অভিযোগ জানাতে আসে না। তাই অনেক ঘটনা চাপা পড়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিশ রাজ্যে মহিলাদের উপর নির্যাতনের জন্য একটি ‘বিশেষ দল’-কে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মীরাই এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ যদিও কোন দলের কর্মীরা এর সঙ্গে যুক্ত তা স্পষ্ট করেননি মুখ্যমন্ত্রী।
জলগাঁও জেলার রাভারের সাংসদ রক্ষা। সেখানকার কোঠালি এলাকায় প্রতি বছরই শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে মেলা বসে। গত শুক্রবার ওই মেলায় গিয়েছিল রক্ষার মেয়ে। সেখানে বেশ কয়েকজন যুবক ওই নাবালিকাকে হেনস্তা করে বলে অভিযোগ। ওই কিশোরী ও তাঁর বন্ধুদের ধাক্কা মারা হয়। অভিযুক্তরা হেনস্তার ভিডিও করে বলেও অভিযোগ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মেয়ের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও অভিযুক্তদের হাতাহাতি হয়। এদিন অভিযোগ দায়ের করার আগে তিনি বলেন, ‘আমি আজ কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা সাংসদ হিসেবে নয়, একজন মা হিসেবে বিচার চাইতে এসেছি।’ তাঁর দাবি, মহারাষ্ট্রজুড়ে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ বেড়ে গিয়েছে। অপরাধীরা আর ভয় পাচ্ছে না। অনেকেই ভয়ে অভিযোগ জানাতে আসে না। তাই অনেক ঘটনা চাপা পড়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিশ রাজ্যে মহিলাদের উপর নির্যাতনের জন্য একটি ‘বিশেষ দল’-কে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মীরাই এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ যদিও কোন দলের কর্মীরা এর সঙ্গে যুক্ত তা স্পষ্ট করেননি মুখ্যমন্ত্রী।



