নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মেয়েকে নিয়ে বাপেরবাড়িতে থাকেন স্ত্রী। অনেকবার চেষ্টা করেও স্ত্রীকে নিজের বাড়িতে ফেরাতে পারেননি। ফলে বহুদিন ধরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে ক্রান্তিতে এক টোটোচালক আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। মৃতের নাম অজয় রায় (৩৫)। বাড়ি ক্রান্তির আমবাড়ি এলাকায়। মঙ্গলবার রাতে নিজের বাড়িতেই লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে পরিবারের দাবি। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিস। বুধবার জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের মর্গে দেহের ময়নাতদন্ত হয়।
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বছর দশেক আগে বিয়ে হয় অজয়ের। শ্বশুরবাড়ি কোচবিহারের দিনহাটায়। কয়েক বছর সংসার করার পরই স্ত্রী বাপেরবাড়ি চলে যায়। অজয়ের একটি মেয়ে রয়েছে। মায়ের সঙ্গেই থাকে সে। মেয়েকে দেখার জন্য কয়েকদিন ধরে ছটফট করছিলেন অজয়। পরিবারের ধারণা, মেয়েকে অনেকদিন দেখতে না পেয়েই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন অজয়।
এদিন মর্গে দেহ নিতে এসেছিলেন অজয়ের ভাইপো দীপেশ রায়। তিনি বলেন, স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন কাকা। পঞ্চায়েত সদস্যকে সঙ্গে করে নিয়েও দিনহাটায় কাকার শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি। স্ত্রী ও মেয়ে কাছে না থাকায় মাঝেমধ্যেই আক্ষেপ করতেন কাকা। কিন্তু এমন ঘটনা যে তিনি ঘটিয়ে ফেলবেন তা ভাবতে পারিনি আমরা।
পরিবার সূত্রে খবর, আর পাঁচটা দিনের মতো মঙ্গলবার সকালে টোটো নিয়ে কাজে বেরিয়ে যান অজয়। বিকেলে বাড়ি ফেরেন। হাত-পা ধুয়ে বসেছিলেন। ছেলের জন্য অজয়ের মা চা বানাচ্ছিলেন। চা নিয়ে এসে তিনি দেখেন, ছেলে নিজের শোওয়ার ঘরে লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি চিৎকার করতেই আশপাশের লোকজন চলে আসেন। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এদিন মর্গে দেহ নিতে এসেছিলেন অজয়ের ভাইপো দীপেশ রায়। তিনি বলেন, স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন কাকা। পঞ্চায়েত সদস্যকে সঙ্গে করে নিয়েও দিনহাটায় কাকার শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও বরফ গলেনি। স্ত্রী ও মেয়ে কাছে না থাকায় মাঝেমধ্যেই আক্ষেপ করতেন কাকা। কিন্তু এমন ঘটনা যে তিনি ঘটিয়ে ফেলবেন তা ভাবতে পারিনি আমরা।
পরিবার সূত্রে খবর, আর পাঁচটা দিনের মতো মঙ্গলবার সকালে টোটো নিয়ে কাজে বেরিয়ে যান অজয়। বিকেলে বাড়ি ফেরেন। হাত-পা ধুয়ে বসেছিলেন। ছেলের জন্য অজয়ের মা চা বানাচ্ছিলেন। চা নিয়ে এসে তিনি দেখেন, ছেলে নিজের শোওয়ার ঘরে লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি চিৎকার করতেই আশপাশের লোকজন চলে আসেন। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।



