নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বিহারের মুজফ্ফরপুরে তার বাড়ি, বয়স ১৬ বছর। এই বয়সে যা হয়— মেয়েটি প্রেমে পড়েছিল এক যুবকের। কিন্তু কে জানত, সেই যুবকই নারী পাচার চক্রের আড়কাঠি! ভুলিয়ে ভালিয়ে নাবালিকাকে সে নিয়ে আসে আসানসোলের নিষিদ্ধপল্লিতে। যখন ভুল ভাঙে, তখন মেয়েটি পালায় সেখান থেকে। সোজা এসে ওঠে নিয়ামতপুর পুলিস ফাঁড়িতে। মঙ্গলবার পুলিস নিয়ম মাফিক তাকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে তুলে দিয়েছে। কমিটি মেয়েটিকে পুরুলিয়ার এক হোমে রাখার ব্যবস্থা করেছে।
Advertisement
এই ঘটনাই প্রমাণ দিচ্ছে যে, ফের নিষিদ্ধপল্লিতে তৎপর হচ্ছে নারী পাচার চক্র! শুধু এই ঘটনাই নয়, জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধপল্লিতে মাঝে মধ্যেই নতুন মেয়েদের দেখা যাচ্ছে। দুর্বার কমিটির তৎপরতায় অনেক মেয়েকে বাড়ি পাঠানোও হচ্ছে। ডিসি সন্দীপ কাররা বলেন, পুলিস নাবালিকাকে উদ্ধার করে নিয়ম মেনে চাইল্ড ওয়েল ফেয়ার কমিটির কাছে তোলে। তাকে হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারম্যান পরমেশ্বর খান বলেন, ভিন রাজ্যের মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিস আমাদের কাছে এনেছিল। আমরা হোমে পাঠিয়েছি। বুধবার মেয়েটির মা আমাদের কাছে এসেছিল। নিয়ম মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।
শিল্পাঞ্চলের নিষিদ্ধপল্লির সঙ্গে নাবালিকা পাচার চক্রের যোগ বহু পুরনো। বছর দুই আগে রাজ্যের শিশু সুরক্ষা কমিশন অভিযান চালিয়েছিল কুলটির লছিপুর নিষিদ্ধপল্লিতে। একাধিক নাবালিকা উদ্ধার হয়েছিল। তারপর পুলিসি তৎপরতা বাড়ে। কিন্তু মোটা টাকা রোজগারের নেশায় এখন বিহার ঝাড়খণ্ডের বহু মেয়ে নিষিদ্ধপল্লিতে আসছে বিভিন্ন দালালের হাত ধরে। অনেক ক্ষেত্রে দালালরা ভুল বুঝিয়েও মেয়ে আনছে বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রেও সেই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।
শিল্পাঞ্চলের নিষিদ্ধপল্লির সঙ্গে নাবালিকা পাচার চক্রের যোগ বহু পুরনো। বছর দুই আগে রাজ্যের শিশু সুরক্ষা কমিশন অভিযান চালিয়েছিল কুলটির লছিপুর নিষিদ্ধপল্লিতে। একাধিক নাবালিকা উদ্ধার হয়েছিল। তারপর পুলিসি তৎপরতা বাড়ে। কিন্তু মোটা টাকা রোজগারের নেশায় এখন বিহার ঝাড়খণ্ডের বহু মেয়ে নিষিদ্ধপল্লিতে আসছে বিভিন্ন দালালের হাত ধরে। অনেক ক্ষেত্রে দালালরা ভুল বুঝিয়েও মেয়ে আনছে বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রেও সেই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।



