নিজস্ব প্রতিনিধি, মাইথন: মাইথনে চলছে পর্যটকদের ‘অমরনাথ যাত্রা’। মাইথনের অদূরে রয়েছে ভাণ্ডার পাহাড়। ৩০৬টি সুউচ্চ সিড়ি ভেঙে ৫৬০ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠলে দেখা মিলবে বাবা অমরনাথ শিবলিঙ্গের। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করা মহাদেবের মাথায় জল ঢালতে শ্বাসকষ্ট হলেও সিড়ি ভেঙে উঠছেন প্রেমিক যুগল থেকে সপরিবারে মাইথন ঘুরতে আসা পর্যটকরা। সেই সঙ্গে ভিড় বাড়ছে ইউটিউবারদের। কয়েক বছর ধরেই এই পাহাড় মাইথনের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে। শিব মন্দিরের পাশাপাশি পাহাড়ের উপর রয়েছে চারটি নৈসর্গিক ভিউ পয়েন্ট। ওপর থেকে অপূর্ব দৃশ্য দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন প্রকৃতি প্রেমীরা। কথিত আছে, একটা সময়ে মানুষ যখন এখানে ভিড় করতেন না, তখন নির্জনে বহু সাধক এসে উপাসনা করে গিয়েছেন। মানুষের আনাগোনা বাড়ায় তাঁরা নাকি পাড়ি দিয়েছেন হিমালয়ের পথে।
Advertisement
কল্যাণেশ্বরী মন্দির থেকে মাইথন যাওয়ার পথেই রাস্তার উপর পড়বে ভাণ্ডারা পাহাড়। পাহাড়ের সামনে থাকা তোরণ দেখে সহজেই চিহ্নিত করা যায় কোন টিলাটি ভাণ্ডারা পাহাড়। পাহাড়ের পাদদেশে জুতো খুলে ভক্ত ও পর্যটকরা ভোগ দেওয়ার জন্য সামগ্রী নিয়ে পাড়ি দিচ্ছেন বাবা অমরনাথ মহাদেব দর্শন করতে। কিছু সিড়ি পার করার পরও বহু মানুষ শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় পড়ছেন। কিন্তু প্রকৃতির অপরূপ দৃষ্টি দেখে ফের কষ্ট করেও পাহাড়ের শেষ প্রান্তে যাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সদ্য কলেজ পাস করা টিনা সরকার প্রেমিকের হাত ধরেই উঠছেন পাহাড়ে। প্রেমিকের উদ্দেশে তাঁর আব্দা কোলে করে নিয়ে যেতে হবে। কলেজ পাস প্রেমিকার মন জয় করতে তাই করলেন রাহুল চট্টোপাধ্যায়। সিঁড়ির পাশ দিয়ে বড় বড় পাথর। সেখানে বহু প্রেমিক প্রেমিকার নাম খোদাই করা। বোঝাই যায়, প্রেমিক প্রেমিকাদের আগমন অনেক দিন ধরেই হয়ে আসছে। পাহাড়ের জঙ্গলে দেখা মেলে বাঁদর সহ নানা প্রাণীর।
পাহাড়ের একটি ভিউ পয়েন্ট মাইথন জলাধারের দিকে। সেখান থেকে সম্পূর্ণ মাইথন জলাধার ও জলাধার ঘিরে থাকা পাহাড়ের দর্শন মেলে। পাহাড়ের দক্ষিণ প্রান্তে নজর দিলে দেখা মিলবে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানা বেয়ে চলা বরাকর নদ। পূর্ব প্রান্তে দেখা মিলবে কল্যাণেশ্বরী মন্দির ও জনপদ। উত্তরভাগে উঁচু পাহাড় আর বিস্তীর্ণ বনভূমি। মাঝে মহাদেবের মন্দির। পুজো করছিলেন পূজারী কুনাল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বছর দশেক মানুষের যাতায়াত বেড়েছে। আগে এখানে শুধু সাধকরা এসেই সাধনা করতেন বলে শুনেছি। আগে এই পাহাড়ে ওঠার কোনও সিঁড়ি ছিল না। এক নিঃসন্তান ব্যবসায়ীর সন্তান হওয়ার পর তিনি সম্পূর্ণ পাহাড় বেয়ে সিঁড়ি করে দিয়েছেন। সারদামণি মাতৃ আশ্রম মন্দিরের দেখভাল করেন। তার সম্পাদক স্বর্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের গুরুদেব স্বামী কালিকানন্দ মহারাজ অমরনাথ যাত্রা করে সেখান থেকে মাটি এনে এখানে মহাদেবকে প্রতিষ্ঠান করেন। সেই থেকে অমরনাথ মহাদেব এখানে পূজিত হয়ে আসছেন।
পাহাড়ের একটি ভিউ পয়েন্ট মাইথন জলাধারের দিকে। সেখান থেকে সম্পূর্ণ মাইথন জলাধার ও জলাধার ঘিরে থাকা পাহাড়ের দর্শন মেলে। পাহাড়ের দক্ষিণ প্রান্তে নজর দিলে দেখা মিলবে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানা বেয়ে চলা বরাকর নদ। পূর্ব প্রান্তে দেখা মিলবে কল্যাণেশ্বরী মন্দির ও জনপদ। উত্তরভাগে উঁচু পাহাড় আর বিস্তীর্ণ বনভূমি। মাঝে মহাদেবের মন্দির। পুজো করছিলেন পূজারী কুনাল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বছর দশেক মানুষের যাতায়াত বেড়েছে। আগে এখানে শুধু সাধকরা এসেই সাধনা করতেন বলে শুনেছি। আগে এই পাহাড়ে ওঠার কোনও সিঁড়ি ছিল না। এক নিঃসন্তান ব্যবসায়ীর সন্তান হওয়ার পর তিনি সম্পূর্ণ পাহাড় বেয়ে সিঁড়ি করে দিয়েছেন। সারদামণি মাতৃ আশ্রম মন্দিরের দেখভাল করেন। তার সম্পাদক স্বর্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের গুরুদেব স্বামী কালিকানন্দ মহারাজ অমরনাথ যাত্রা করে সেখান থেকে মাটি এনে এখানে মহাদেবকে প্রতিষ্ঠান করেন। সেই থেকে অমরনাথ মহাদেব এখানে পূজিত হয়ে আসছেন।



