Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ প্রকল্প: ৮৬৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ছোটখাট সমস্যার নিষ্পত্তি হবে উত্তর ২৪ পরগনায়

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বকেয়া থাকা ‘ছোটখাট’ সমস্যার সমাধানের জন্য ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ প্রকল্প: ৮৬৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ছোটখাট সমস্যার নিষ্পত্তি হবে উত্তর ২৪ পরগনায়
  • ২৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দুয়ারে কড়া নাড়ছে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বকেয়া থাকা ‘ছোটখাট’ সমস্যার সমাধানের জন্য ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘোষণার পর উত্তর ২৪ পরগনা জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে তৎপরতা। হাতে সময় কম, তাই জেলার পাশাপাশি ব্লক স্তরেও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জেলায় মোট ৮,৬৪৭টি বুথে কীভাবে এই ক্যাম্প হবে, তার ব্লু-প্রিন্ট তৈরির কাজ চলছে। আগামী দু’মাসের মধ্যে সাড়ে ৮০০ কোটি টাকায় উন্নয়ন হবে জেলায়।

Advertisement

কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে বদ্ধপরিকর মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাগরিক পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে আরও এক ধাপ এগিয়ে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি নিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অনেক সময় দেখা যায় একটা জলের কল কিংবা বিদ্যুতের একটি খুঁটি বসানো দরকার। এই রকম ছোট ছোট সমস্যা থেকেই যায়। তা সমাধানের জন্য এই কর্মসূচি। এর জন্য রাজ্যের প্রায় ৮০ হাজার বুথ এলাকায় যাবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তিনটি বুথ মিলিয়ে এক একটি ইউনিট গঠন করা হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় এনিয়ে শুরু হয়েছে তোড়জোড়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসত লোকসভা কেন্দ্রে ১,৯৯১টি, বারাকপুরে ১,৫৯১টি, বসিরহাটে ১,৮৮২টি, দমদমে ১,৭৯২টি ও বনগাঁয় ১,৩৯১টি বুথ রয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় বুথের সংখ্যা ৮,৬৪৭টি। প্রতিটি বুথে ১০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ হলে আগামী দু’মাসে গোটা জেলায় মোট ৮৬৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার কাজ হবে। শিবিরে মূলত পঞ্চায়েত, সেচ, বিদ্যুৎ, পূর্ত, স্বাস্থ্য সহ একাধিক দপ্তরের কর্তারা হাজির থাকবেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ছোট ছোট বেশ কিছু কাজ পড়ে রয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি জেলা পরিষদের পক্ষে তা করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু তৃণমূল স্তরে ওই কাজ অত্যন্ত জরুরি। এবার সেগুলি হবে বলেই আশাবাদী দপ্তর। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, কর্মসূচির রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই পরিকল্পনা শুধু দেশ নয়, আন্তর্জাতিকস্তরেও খ্যাতি লাভ করবে। দেখবেন আগামী ভোটে বিরোধীরা প্রচারে কোনও ইস্যু পাবে না। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কর্মদক্ষতার ‘রিপোর্ট’ সংগ্রহ করবে শাসকদল। এর ফলে ‘সক্রিয়’ জনপ্রতিনিধি ঝাড়াই-বাছাই করতে সুবিধা হবে দলের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ