Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চায়ের দোকানে নাবালিকার শ্লীলতাহানি, গ্রেপ্তার মালিক

মায়ের কথায় বাড়ির সামনের দোকানে চা আনতে গিয়েছিল বছর বারোর নাবালিকা। অভিযোগ, দোকানে নাবালিকার শ্লীলতাহানি করা হয়।

চায়ের দোকানে নাবালিকার শ্লীলতাহানি, গ্রেপ্তার মালিক
  • ২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: মায়ের কথায় বাড়ির সামনের দোকানে চা আনতে গিয়েছিল বছর বারোর নাবালিকা। অভিযোগ, দোকানে নাবালিকার শ্লীলতাহানি করা হয়। অভিযুক্ত দোকানদারের নাম মুন্না ঠাকুর। কাঁচড়াপাড়ার রমেশ গোস্বামী রোডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 

Advertisement

পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বছর পঁয়তাল্লিশের দোকান মালিক মুন্না ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করেছে বিজপুর থানা। বর্তমানে সে জেল হেফাজতে রয়েছে। শ্লীলতাহানির ঘটনাটি ঘটে সোমবার। কিন্তু ভয়ে সে কথা কাউকে বলতে পারেনি নাবালিকা। এমনকী সে বাড়ি থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দেয়। নির্যাতিতার মা লক্ষ করেন, মেয়ে একা বসে কাঁদছে। এরপরই জিজ্ঞাসা করতে গোটা ঘটনা জানায় নির্যাতিতা। নাবালিকার কথায়, দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ মা আমাকে চা আনতে পাঠিয়েছিল। বাড়ির পাশেই চায়ের দোকান। চা নিতে গেলে দোকানের মালিক বলেন, দোকানের চাবি নামিয়ে দিতে। কিন্তু টুলে উঠে চাবি খুঁজতে গেলে দেখি নেই। তখনই দোকানের মালিক আমার গায়ে হাত দেয়। কোনও মতে ছাড়িয়ে পালাতে গেলে হুমকি দেয়, কাউকে কিছু বলা যাবে না। আমি ভয়ে কাঁপছিলাম। 
নির্যাতিতার মা জানিয়েছেন, মেয়ে এখনও বাইয়ে বেরতে ভয় পাচ্ছে। পড়তে বা স্কুলে যেতে চাইছে না। ট্রমার মতো হয়ে গিয়েছে। তাই আমি অভিযুক্তর কঠোর শাস্তি দাবি করছি। অভিযোগ জানানোর পর সঙ্গে সঙ্গে পুলিস দোকানদারকে গ্রেপ্তার করেছে। আমার মেয়ে কোর্টে গিয়েছিল। যা ঘটনা ঘটেছে সেটাই বলেছে। দোষী ব্যক্তির কঠোর শাস্তি দাবি করছি।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে ধৃতের স্ত্রী গঙ্গা ঠাকুর বলেন, অভিযোগ মানতে পারছি না। আমি আমার স্বামীকে চিনি। আমাদের একটি পাঁচ বছরের মেয়ে আছে। মিথ্যে অভিযোগে আমার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে। ওঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ