Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

নীতীশ-চন্দ্রবাবুকে চাপে রাখতে মন্ত্রীদের অপসারণ বিল: তেজস্বী

প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী সহ মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। এই বিল আইনে পরিণত হলে বিরোধী শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরই টার্গেট করা হবে বলে আশঙ্কা।

নীতীশ-চন্দ্রবাবুকে চাপে রাখতে মন্ত্রীদের অপসারণ বিল: তেজস্বী
  • ২২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী সহ মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। এই বিল আইনে পরিণত হলে বিরোধী শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরই টার্গেট করা হবে বলে আশঙ্কা। এই অবস্থায় বিলের মোদি সরকারের অন্য লক্ষ্যের দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তাঁর মতে, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে চাপে রাখতেই এই বিল এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি লোকসভায় বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমাররের জেডিইউ এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপির ক্র্যাচে ভর করে চলতে হচ্ছে মোদিকে। তেজস্বীর মতে, নীতীশ এবং চন্দ্রবাবুর মুখ বন্ধ রাখাও উদ্দেশ্য মোদি সরকারের। তাঁর কথায়, এই বিলের লক্ষ্যই হল ব্ল্যাকমেল করা। ইডি যদি কারও বিরুদ্ধে পিএমএলএ-তে চার্জ গঠন করে, তবে সহজে কারও জামিন হবে না। এটা বিরোধী সহ শরিকদের চাপে রাখার কৌশল। 

Advertisement

বিল নিয়ে সরব হয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমও। এক্স হ্যান্ডলে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখেছেন, ‘গ্রেপ্তারির পর যদি কোনও মুখ্যমন্ত্রী ৩০ দিন জামিন না পান, তবে তিনি পদ খোয়াবেন! আইনের জগতে এরকম উদ্ভট কথা কখনও শুনেছেন? চার্জ গঠন নয়, মামলা নয়, রায় ঘোষণারও প্রয়োজন নেই! কেবল গ্রেপ্তারির (সাধারণত কোনও ভুয়ো অভিযোগে) কারণে জনগনের দ্বারা নির্বাচিত রায়কে উল্টে দেওয়া যাবে।’ অন্যদিকে, বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতী মনে করেন, এই সংবিধান সংশোধনী বিল আইনে পরিণত হলে গণতন্ত্র দুর্বল হবে। এক্স হ্যান্ডলে মায়াবতী লিখেছেন, ‘শাসক দল এই বিল অপব্যাবহার করবে বলে সাধারণ মানুষ মনে করেন। তাই আমার দল এই বিলকে সমর্থন করে না।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ