সংবাদদাতা, খড়্গপুর: মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের তৎপরতায় খড়্গপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবিপূরণ হতে চলেছে। ২৪ শয্যার হাইব্রিড সিসিইউ চালু হতে চলেছে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে। এর মধ্যে ৮টি শয্যা বরাদ্দ থাকবে শিশুদের জন্য। ১৬টি সাধারণ রোগীদের জন্য। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮ শয্যার সিসিইউ আগেই চালু হয়ে গিয়েছে। প্রায় ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়েছে সেখানে। মন্ত্রী তথা খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান দিলীপবাবুর উদ্যোগে সেটিকেই ২৪ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এজন্য নতুন ১৬টি শয্যা-মনিটর সহ অন্যান্য সামগ্রী খুব শীঘ্রই পৌঁছে যাবে। চলতি বছরের মধ্যেই ২৪ শয্যার এই হাইব্রিড সিসিইউ চালু হবে বলে আশাবাদী জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা।
পাশাপাশি খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের নবনির্মিত চার তলা ভবনটিও চলতি বছরের মধ্যেই চালু করার উদ্যোগ নেওয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী। সোমবার সৌম্যশঙ্করবাবু বলেন, ওই ভবনে প্রসূতি ও শিশুদের ওয়ার্ড স্থানান্তরিত করা হবে। ভবনের নিচের তলায় এমার্জেন্সি থাকবে। উপরে চারটি অপারেশন থিয়েটার সহ অত্যাধুনিক ওটি কমপ্লেক্স তৈরি হবে। এছাড়াও, লেবার রুম, পোস্ট সার্জিকাল ও পোস্ট ন্যাটাল ওয়ার্ড গড়ে তোলা হচ্ছে। এজন্য নতুন করে প্রায় ৬৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের এক আধিকারিক জানান, খড়্গপুর সদরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের মধ্যস্থতায় মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া নবনির্মিত ওই ভবনের অক্সিজেন পাইপলাইনের জন্য ৩৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছেন। সেই কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। খড়্গপুর শহরের বাসিন্দা শুভ্রকান্তি ছেত্রী, সোমনাথ মাইতিরা বলেন, দিলীপবাবু শুধু রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রীই নন, তিনি আমাদের খড়্গপুর সদরের বিধায়ক এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যানও। তাই তাঁর এই উদ্যোগ ও তৎপরতাকে আমরা স্বাগত জানাই।
খড়্গপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান তথা ঋতব্রত-তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রদীপ সরকার বলেন, খড়্গপুরের মতো এক গুরুত্বপূর্ণ শহরে সত্যিই একটি উন্নত হাসপাতাল প্রয়োজন। আমাদের আমলে সেই কাজ ধীরগতিতে হলেও শুরু হয়েছিল। আশা করছি, মন্ত্রী দিলীপবাবুর উদ্যোগে বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে।



