বোলপুরে বিসর্জনের উচ্ছ্বাসে কান ফাটানো ডিজে ও শব্দবাজির তাণ্ডব
  • ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: পুজো শেষ হতেই শুরু হয়েছে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব। বিষাদের আবহের মধ্যেও বিসর্জন ঘিরে উৎসবে মাতছে পুজো উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষ। এবছর প্রশাসনের তরফে কার্নিভালের আয়োজন করা হয়নি। তাই নিজস্ব উদ্যোগেই নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করেছে পুজো কমিটিগুলি। প্রস্তুতি নিয়েছে বীরভূম জেলা পুলিশও। তবে নানা বিধিনিষেধ সত্ত্বেও বিসর্জনে ডিজে বক্স বাজানো এবং শব্দ বাজি ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনাও ঘটেছে। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিসর্জন ঘিরে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

Advertisement

এবার বুধবার দশমীর রাত থেকেই বোলপুর শহরে শুরু হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। বনেদি বাড়ির পুজো সহ বেশ কয়েকটি বারোয়ারি পুজোর প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। কয়েকটি শোভাযাত্রায় ডিজেবক্স বাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দশমীর রাতে শহরের একাধিক এলাকায় শব্দ বাজি ফাটানোর ঘটনাও সামনে আসে।
বৃহস্পতিবার একাদশীর দিন বোলপুর মহকুমায় মোট ৩৫৮টি প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। সেখানেও কয়েকটি জায়গায় ডিজে বক্সের দাপট দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এখনো বেশ কয়েকটি বড় পুজো কমিটির প্রতিমা বিসর্জন বাকি রয়েছে। শুক্র ও শনিবার সেগুলি নিরঞ্জন করার কথা। বিসর্জনের বাকি পর্বে যাতে ডিজেবক্সের ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক করেছে পুলিশ। নিরঞ্জন পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নজরদারিও চালানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, শহরের একাধিক জলাশয়ের বেহাল দশা নিয়েও বাড়ছে উদ্বেগ। কোথাও পুকুরের পরিসর কমেছে, কোথাও দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে তৈরি হয়েছে সমস্যা। আগের সরকারের সময় পুকুর ভরাট করে বহুতল আবাসন তৈরির অভিযোগও রয়েছে। সব মিলিয়ে আগামী দিনে প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তায় বোলপুরের পুজো উদ্যোক্তারা।