নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রের উপনির্বাচেনর আগেই ঢেলে সাজানো হল বাংলার শাসকদলের রাজ্য কমিটি। বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের টিম তৈরি করা হয়েছিল। যার মধ্যে বহু পদাধিকারী ভোটে জিতে বিধায়ক কিংবা মন্ত্রী হয়ে গিয়েছেন। যার মধ্যে অন্যতম—দীপক বর্মন, অগ্নিমিত্রা পাল, শংকর ঘোষ, ইন্দ্রনীল খাঁ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি মেনে তাঁদের সরিয়ে একঝাঁক নতুন মুখ রাজ্য কমিটিতে স্থান পেয়েছে। যার মধ্যে বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি মন্ত্রী ইন্দ্রনীলকে সরিয়ে আমতার বিধায়ক অমিত সামন্তকে এই পদে আনা হয়েছে। অন্যদিকে, মহিলা মোর্চার সভানেত্রী পদে বসেছেন অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু। দীর্ঘদিন এই গুরু দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে পালন করা ফাল্গুনী পাত্রকে রাজ্য বিজেপির অন্যতম সহ-সভাপতি পদে তুলে আনা হয়েছে। সম্প্রতি যাদবপুরকাণ্ড নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে পার্টির অন্দরে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল। সেই রসায়নেই কি রাজ্য কমিটি থেকে বাদ পড়লেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক? উঠছে সেই প্রশ্ন। কেন না, বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সম্পাদক পদে ছিলেন শর্বরী। শুক্রবার ঘোষিত কমিটিতে সম্পাদক পদ হারালেন তিনি। যুব-মহিলার শাখার পাশাপাশি ওবিসি এবং এসসি মোর্চার সভাপতি পদের দায়িত্ব পেলেন যথাক্রমে ধনঞ্জয় ঘোষ ও বিশ্বজিৎ বিশ্বাস। এছাড়াও এদিনই রাজ্য বিজেপির সাতটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বদল করা হয়েছে। সেগুলি হল, বনগাঁ, বারাসত, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, মেদিনীপুর, বর্ধমান ও কাটোয়া।



