Bartaman Logo
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খড়দহে মন্ত্রীর নেতৃত্বে গঙ্গার ভাঙন পরিদর্শনে সেচদপ্তরের প্রতিনিধি দল

বানের দাপটে ভেঙে যাচ্ছে খড়দহ, পানিহাটির গঙ্গাপাড়। বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে একাধিক গঙ্গার ঘাটে। এদিকে, সামনেই মহালয়া।

খড়দহে মন্ত্রীর নেতৃত্বে গঙ্গার ভাঙন পরিদর্শনে সেচদপ্তরের প্রতিনিধি দল
  • ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: বানের দাপটে ভেঙে যাচ্ছে খড়দহ, পানিহাটির গঙ্গাপাড়। বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে একাধিক গঙ্গার ঘাটে। এদিকে, সামনেই মহালয়া। প্রতিটি ঘাটে শহরবাসীর ভিড় উপচে পড়বে সেদিন। ফলে যে কোনো মুহূর্তে বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সেচদপ্তরের অফিসারদের সঙ্গে গঙ্গাঘাট পরিদর্শন করে স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী। অন্যদিকে, পানিহাটির বিধায়কও ভেঙে যাওয়া গঙ্গাপাড় পরিদর্শন করেন। 

Advertisement

বেশ কয়েক বছর ধরে পানিহাটি ও সোদপুরের গঙ্গার পাড় ও একের পর এক ঐতিহ্যবাহী গঙ্গার ঘাট ভাঙনের কবলে পড়েছে। একের পর এক বড়ো বানের ধাক্কায় ঘাটে বড়ো বড়ো ফাটল ধরেছে। কোথাও ঘাট নীচের দিকে বসে গিয়েছে। গঙ্গাপাড়ের বেশ কয়েকটি জায়গায় ফাটলের পাশাপাশি নীচের দিকের মাটি ধসে গিয়েছে। বহু বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায়।
এই অবস্থায় দ্রুত গঙ্গাপাড় ও ঘাট সংস্কারের দাবি বহু বছর ধরে করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এদিন মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে খড়দহ পুরসভার চেয়ারম্যান নিলু সরকার সহ সেচদপ্তরের অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রথমে রাসখোলা ঘাট পরিদর্শন করেন। দিনতিনেক আগে পূর্ণিমার বড়ো বানের ধাক্কায় ঘাট ভেঙে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। তবে খড়দহ জেটিঘাট ঠিক রয়েছে।
এদিকে, রাসখোলা ঘাটের মতো  বাবুঘাট, ক্যাম্প ঘাট, শ্যামসুন্দর ঘাটও ভাঙনের কবলে পড়েছে। নাথুপাল শ্মশানঘাট লাগোয়া গঙ্গাপাড়ে ফাটল ধরেছে। যেকোনও সময় ধস নামতে পারে। কল্যাণবাবু বলেন, সেচ দপ্তরের আধিকারিক ও পুরসভার চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাসখোলা ঘাট পরিদর্শন করেছি। স্থানীয় মানুষের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ভাঙনের গ্রাস থেকে গঙ্গাপাড় ও ঘাটকে রক্ষা করতে সেচদপ্তর পরিকল্পনা তৈরি করবে। 
অন্যদিকে, এদিন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ ভাঙনের গ্রাসে থাকা সুখচর বাজারপাড়া গঙ্গাঘাট লাগোয়া এলাকা পরিদর্শন করেন। এখানকার রাজারবাগান এলাকায় গঙ্গাপাড়ের বাসিন্দা দিলীপকুমার দাসের বাড়িও পরিদর্শন করেন। দিলীপবাবুর বাড়ির নিচের বেশ কিছুটা অংশের মাটি ধসে গিয়েছে। বাজারপাড়ার মতো পঞ্চানন তলা সহ বেশিরভাগ ঘাট দীর্ঘ সংস্কারের অভাবে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। স্নান করতে নেমে মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটছে। দ্রুত পাড় সংস্কারের কাজ শুরু করা দরকার।   নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ