Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিনি পঞ্চায়েত ভবন হচ্ছে সূতির মাঠে, খুশি বাসিন্দারা

বহরমপুর সদর ব্লকের ভাকুড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মিনি সংস্করণ উঠে আসছে সূতির মাঠ রক্ষাকালী মন্দিরের পাশে। পঞ্চায়েতের ২৬ নম্বর সংসদে সরকারি জায়গায় তৈরি হচ্ছে একতলা ভবন।

মিনি পঞ্চায়েত ভবন হচ্ছে সূতির মাঠে, খুশি বাসিন্দারা
  • ২৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

তাপস ঘোষ, বহরমপুর: বহরমপুর সদর ব্লকের ভাকুড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মিনি সংস্করণ উঠে আসছে সূতির মাঠ রক্ষাকালী মন্দিরের পাশে। পঞ্চায়েতের ২৬ নম্বর সংসদে সরকারি জায়গায় তৈরি হচ্ছে একতলা ভবন। ভবনের একটি ঘরে চালতিয়া এলাকা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র উঠে আসছে। বাকি জায়গায় পঞ্চায়েতের যাবতীয় পরিষেবা প্রদান করা হবে। যেখান থেকে পঞ্চায়েতের সমস্ত রকমের সুবিধা মিলবে। বাড়ির কাছাকাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের মিনি সংস্করণ উঠে আসায় খুশি শাসক ও বিরোধী সকলেই। পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বিপ্লব কুণ্ডু বলেন, ভাকুড়ি-১ পঞ্চায়েতের ২৯টি সংসদের মানুষ কার্যত পুরসভার সমতুল্য পরিষেবা পাচ্ছেন। এবার দুয়ারে পঞ্চায়েতের স্থায়ী পরিষেবা দেওয়ার জন্য মিনি পঞ্চায়েত গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করি দুর্গাপুজোর আগেই ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত ও স্বাস্থ্য পরিষেবা এক ছাদের তলায় মিলবে।

Advertisement

ভাকুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৯টি সংসদের মধ্যে সূতির মাঠ ও সংলগ্ন এলাকায় ১২টি সংসদ রয়েছে। এই ১২টি সংসদে রয়েছে প্রায় ১৭ হাজার ভোটার। পঞ্চায়েত অফিস রয়েছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে ভাকুড়িতে। সূতির মাঠ থেকে যার দূরত্ব তিন কিলোমিটারের বেশি। পঞ্চায়েতের যেকোনও কাজে উপভোক্তাদের আসা যাওয়ার জন্য ৪০-৫০ টাকা টোটো ভাড়া দিতে হয়। অনেকে এত টাকা ভাড়া দিয়ে যেতে পারেন না। তাঁরা হেঁটেই যাতায়াত করেন। 
পঞ্চায়েত প্রধান কাকলি ঘোষ বলেন, উপভোক্তাদের আর্থিক সাশ্রয় ও হয়রানি থেকে মুক্তি দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চালতিতায় ধুঁকতে থাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্রেরও হাল ফিরবে। সূতির মাঠ এলাকার বাসিন্দা অমিত সরকার বলেন, এই এলাকায় মিনি পঞ্চায়েত হলে আমাদের উপকার হবে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দাবি, বহরমপুর পুরসভা লাগোয়া তৃণমূল পরিচালিত ভাকুড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে উন্নয়নের জোয়ার এসেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, ২১টি সংসদে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য ১০০ জন কাজ করছেন। তার জন্য ১৬টি টোটো ও সাতটি ভ্যান রয়েছে। দু’টি অর্থবর্ষে সাড়ে ৩১ লক্ষ টাকা খরচ করে হাইড্রেন তৈরি হচ্ছে। নিকাশি জল চালতিয়া বিলের যেখানে পড়ছে সেখানে লিকুইড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি হচ্ছে। তার জন্য ১২ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে। উপ প্রধান, জানালেন, এই প্ল্যান্টে হাইড্রেনে রর্জ্য ছাঁকার পর শুধু মাত্র জল বিলে পড়বে। এতে বিলের মাছে কোনও ক্ষতিকারক প্রভাব পড়বে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ