সংবাদদাতা, পতিরাম: ট্রেজারিতে ফের আটকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের বিল। বেতন না মেলায় হাসপাতাল সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীরা। দ্রুত বেতন না পেলে ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ট্রেজারি অফিসার বিল অনুমোদন করছেন না। তাই কর্মীদের বেতন দেওয়া যাচ্ছে না। ফোন না তোলায় এবিষয়ে জেলার ট্রেজারি অফিসার চিন্ময় হালদারের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মেসেজেরও উত্তর দেননি।
Advertisement
জেলা হাসপাতাল সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, এর আগে মিটিংয়ে সব বিল পাশ করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিছু বিল পাশ হলেও অধিকাংশ আটকে রয়েছে। সব বিল পাশ না হওয়াতে হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বন্ধ। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
বেতন না পেয়ে অস্থায়ী কর্মীরা এদিন হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষুব্ধ মহিলা কর্মী অনিতা দাস বলেন, ছ’মাস ধরে আমরা বেতন পাচ্ছি না। বেতন না পাওয়ায় আমাদের সংসার চলছে না। খুব সমস্যায় পড়েছি।
কর্মীদের বক্তব্য, পুজোতেও তাঁরা বোনাস পাননি। কাজ করেও বেতন পাচ্ছেন না। বেতন না পেলে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
নর্থবেঙ্গল হরিজন অ্যান্ড বাসফোর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সভাপতি বিজয় বাসফোর বলেন, গতমাসেও এই সমস্যা নিয়ে আমরা কর্মবিরতি করেছিলাম। এমাসেও এই সমস্যা। বেতন না পেলে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দেব।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সাফাই, নিরাপত্তা, লন্ড্রী, খাদ্য সহ নানা বিভাগে শতাধিক অস্থায়ী কর্মী কাজ করেন। এজেন্সির মাধ্যমে তাঁরা কাজ করেন। অভিযোগ, নিরাপত্তারক্ষী ও অন্য বিভাগের কর্মীরা বেতন পেলেও সাফাইকর্মী ও লন্ড্রীর কাজে নিযুক্ত কর্মীরা দীর্ঘদিন বেতন পাচ্ছে না। গতবছর থেকে এই সমস্যা চলছে। জানা গিয়েছে, ওই এজেন্সির প্রায় ২ কোটি টাকা বকেয়া বিল রয়েছে।
বেতন না পেয়ে অস্থায়ী কর্মীরা এদিন হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষুব্ধ মহিলা কর্মী অনিতা দাস বলেন, ছ’মাস ধরে আমরা বেতন পাচ্ছি না। বেতন না পাওয়ায় আমাদের সংসার চলছে না। খুব সমস্যায় পড়েছি।
কর্মীদের বক্তব্য, পুজোতেও তাঁরা বোনাস পাননি। কাজ করেও বেতন পাচ্ছেন না। বেতন না পেলে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
নর্থবেঙ্গল হরিজন অ্যান্ড বাসফোর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সভাপতি বিজয় বাসফোর বলেন, গতমাসেও এই সমস্যা নিয়ে আমরা কর্মবিরতি করেছিলাম। এমাসেও এই সমস্যা। বেতন না পেলে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দেব।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সাফাই, নিরাপত্তা, লন্ড্রী, খাদ্য সহ নানা বিভাগে শতাধিক অস্থায়ী কর্মী কাজ করেন। এজেন্সির মাধ্যমে তাঁরা কাজ করেন। অভিযোগ, নিরাপত্তারক্ষী ও অন্য বিভাগের কর্মীরা বেতন পেলেও সাফাইকর্মী ও লন্ড্রীর কাজে নিযুক্ত কর্মীরা দীর্ঘদিন বেতন পাচ্ছে না। গতবছর থেকে এই সমস্যা চলছে। জানা গিয়েছে, ওই এজেন্সির প্রায় ২ কোটি টাকা বকেয়া বিল রয়েছে।



