নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশের শীর্ষ লিগ নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা। তবে ইস্ট বেঙ্গলের নজরে শুধুই সুপার কাপ। ফোকাস হারাতে নারাজ অস্কার ব্রুজোঁ। সূত্রের খবর, ১০ নভেম্বর শেষ চারের প্রস্তুতি শুরু করতে চান অস্কার। সেইমতো দ্রুত শহরে ফিরতে বলা হয়েছে ফুটবলারদের।
চলতি মরশুমে অনেকটাই গোছানো ইস্ট বেঙ্গল। বিশেষ করে দুরন্ত মাঝমাঠ অস্কারের সম্পদ। কিন্তু স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। মরক্কান হামিদ টুকটাক জাল কাঁপান। ব্যস ওইটুকুই! মোক্ষম সময়ে গোল নষ্টের প্রবণতা চিন্তার কারণ। এখনও পর্যন্ত হামিদ বড়ই সাধারণ। গ্রিক স্ট্রাইকার দিয়ামানতাকোসকে রিলিজ করে জাপানি হিরোশিকে সই করিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তিনি পুরো ম্যাচ ফিট নন। চেন্নাইয়ানের বিরুদ্ধে একটি শট ক্রসপিসে প্রতিহত হয়েছে। পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে জাল কাঁপিয়েছেন। প্রাপ্তি এইটুকুই। হিরোশি কী পার্থক্য গড়তে পারবেন? সেটাই আসল প্রশ্ন। মোদ্দা কথা, ইস্ট বেঙ্গলের আপফ্রন্ট নিয়ে চিন্তা থাকছেই। ফরোয়ার্ড লাইনে নাম থাকলেও ধার কম। নির্বিষ হামিদদের নিয়ে গোলের সামনে মাথা খুঁড়ছেন অস্কার। ট্রফি জিততে গেলে গোল করতে হবে। কিন্তু বিপক্ষ দুর্গে কামান দাগবেন কে? মনে রাখতে হবে সুপার কাপে প্রথম একাদশে ছয় বিদেশি খেলানোর সুযোগ রয়েছে। শীর্ষ লিগে সেই সংখ্যা ৪। অর্থাৎ মাঝমাঠের বিদেশির উপর কোপ পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে ব্যালান্স নষ্ট হতে বাধ্য। অনেকেই মনে করেন, ট্রান্সফার উইন্ডো কাজে লাগানো উচিত ম্যানেজমেন্টের। ভলো মানের বক্স স্ট্রাইকার রিক্রুট করলে অস্কার ব্রিগেড ফুল ফোটাবে। ভুল শোধরাতে অবিলম্বে ঝাঁপাক থিঙ্কট্যাঙ্ক। রক্ষণে আনোয়ার ও সিবলে জুটি ভরসা দিচ্ছেন। কিন্তু ম্যারাথন লিগে সমস্যা থাকেই। আরও একজন ভারতীয় ডিফেন্ডার রিক্রুট করলেই বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে।