Bartaman Logo
১৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাঁকরাইলে বাগানের ঝোপে প্রৌঢ়ার দেহ, উধাও খুলির অংশ, বাড়ছে রহস্য

সাতসকালে বাগানের ঝোপের পাশে প্রৌঢ়ার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল সাঁকরাইলের বটতলা এলাকায়।

সাঁকরাইলে বাগানের ঝোপে প্রৌঢ়ার দেহ, উধাও খুলির অংশ, বাড়ছে রহস্য
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সাতসকালে বাগানের ঝোপের পাশে প্রৌঢ়ার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল সাঁকরাইলের বটতলা এলাকায়। মৃতার নাম শান্তি মালিক (৬৫)। শুক্রবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বাগানের মধ্যে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। স্থানীয়দের দাবি, দেহের চারপাশে রক্তের দাগ ছিল। পাশাপাশি, মাথার খুলির একটি অংশ পাওয়া যায়নি। মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ফলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে রহস্য ঘনিয়েছে।

Advertisement

খবর পেয়ে সাঁকরাইল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, মৃতার মাথায় একটি ক্ষত রয়েছে। কীভাবে ওই ক্ষত তৈরি হল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই স্পষ্ট হবে। পাশাপাশি, এই ঘটনায় অপরাধের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগানের ভিতরে একটি ঘরে একাই থাকতেন শান্তিদেবী। তাঁর আদি বাড়ি বাগান থেকে কিছুটা দূরে। সেখানে ভাই, বড়ো মেয়ে সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা থাকেন। বাগানের পাশেই ওই পরিবারের একটি খাটাল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে খাটালের গোরুগুলি দেখভাল করতেন শান্তিদেবী। প্রতিদিন দু’বেলা বড়ো মেয়ে ঝুমা দলুইয়ের বাড়িতে গিয়ে খাওয়াদাওয়া করতেন তিনি। ঝুমাদেবী কাছেই থাকেন। বৃহস্পতিবার দুপুরেও মেয়ের বাড়িতে খেতে গিয়েছিলেন। কিন্তু রাতে আর যাননি। পরিবারের বক্তব্য, দুপুরের খাবার অবশিষ্ট থাকলে তা নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে রাখতেন শান্তিদেবী। তাই রাতে মেয়ের বাড়িতে না যাওয়াটা পরিবারের কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়নি।  ঝুমাদেবী বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে মা খেতে না আসায় তিনি ডাকতে যাননি। শুক্রবার সকালে জানতে পারেন, বাগানের ঝোপের পাশে মায়ের দেহ পড়ে রয়েছে। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা বুঝতে পারছেন না পরিবারের কেউ। মাথার খুলির একটি অংশ না থাকার বিষয়টিও তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ