Bartaman Logo
২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিদ্যুৎ না থাকায় আরামবাগের স্কুলে দু’দিন বন্ধ মিডডে মিল

আরামবাগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্কুলে বিদ্যুৎ না থাকায় দু’দিন মিডডে মিল বন্ধ। অভিভাবকদের ক্ষোভ, প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ। বিস্তারিত পড়ুন।

বিদ্যুৎ না থাকায় আরামবাগের স্কুলে দু’দিন বন্ধ মিডডে মিল
  • ২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আচমকা বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ। এর জেরে আরামবাগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কয়রাপাড়া প্রাথমিক  স্কুলে দু’দিন ধরে বন্ধ রইল মিডডে মিল। বিদ্যুৎ না থাকায় চালানো যায়নি পাম্প। সেই কারণে ওভারহেড ট্যাঙ্কে জল তোলা যায়নি। পুরসভার তরফে সরবরাহ করা পাইপ লাইনের জল পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের। তাই মঙ্গল ও বুধবার মিডডে মিলের ব্যবস্থা হয়নি। তীব্র গরমে কাহিল অবস্থা হয়  পড়ুয়া ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের। তবে ঘটনা জানাজানি হতে বিকেলের মধ্যেই ফের বিদ্যুৎ সংযোগ জুড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা। ঘটনা জেনে আরামবাগের বিজেপি বিধায়ক হেমন্ত বাগ দ্রুত প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।  বিদ্যুৎ দপ্তরের আরামবাগ  মহকুমার এক আধিকারিক বলেন, কিছু ভুল বোঝাবুঝি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। ফের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। 

Advertisement

স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী সরকার বলেন, কোনো নোটিস ছাড়াই গত শনিবার স্কুল ছুটির পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। সোমবার স্কুলে এসে বিষয়টি নজরে আসতেই পুরসভা, শিক্ষা দপ্তরে জানাই। ট্যাঙ্কে যতটুকু জল ছিল, তা দিয়ে সোমবার মিডডে মিল করা হয়। কিন্তু তারপর আর পাম্প চালানো যায়নি। পরিছন্নতা বজায় রাখতে অসুবিধার কথা মাথায় রেখে মঙ্গল ও বুধবার মিডডে মিলের রান্না করা যায়নি। এক শিক্ষিকা মহুয়া সাহা বলেন, নিয়মিত শারীরিক অসুস্থতার জন্য ওষুধ খেতে হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় পাখা চলেনি। তাতে গরমে অসুবিধায় পড়তে হল। 
স্থানীয় বাসিন্দা আলো সিং বলেন, খুদে পড়ুয়ারা বাড়ি থেকে জল নিয়ে আসে স্কুলে। কিন্তু মিডডে মিল হল না। তার সঙ্গে গরমেও ভুগতে হল। 
বুধবার স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের বারান্দায় অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীকে পড়াচ্ছেন শিক্ষিকারা। শিক্ষিকাদের হাতে ছিল পাখা। পড়ুয়ারাও অনেকে গরমে হাঁসফাঁস করছিল। এরপর দুপুরে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। 
স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আপাতত প্রায় ১৭ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। দীর্ঘদিন আর বিলও আসেনি। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্যও আগাম কোনো নোটিস পাওয়া যায়নি। আচমকা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এদিন স্কুলের তরফে বিদ্যুৎ দপ্তরে গিয়ে আবেদন জানানো হয়। তবে বিদ্যুৎ না থাকায় গত তিন দিন ধরে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়েছে প্রত্যেককে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ