অন্যতম ফেভারিটের তকমা নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে হাজির স্পেন। গ্রুপের শীর্ষে থেকেই রাউন্ড অব ৩২-তে পৌঁছেছে লা রোহা ব্রিগেড। তিন ম্যাচে এখনও পর্যন্ত গোল হজম করেনি তারা। তবুও নক-আউট পর্বে অভিযান শুরুর আগে স্বস্তিতে নেই কোচ লুই ডে লা ফুয়েন্তে। দলে চোট-আঘাত সমস্যা তো রয়েছেই, তার চেয়েও বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আক্রমণভাগে ভেদশক্তির অভাব। বৃহস্পতিবার একরাশ অনিশ্চয়তা নিয়ে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে লামিনে ইয়ামালরা।
স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিকগুলির দিকে তাকালেই বোঝা যায়, দলটির পারফরম্যান্স নিয়ে সন্দিহান বিশ্লেষকরা। শুধুমাত্র সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ৪ গোল বাদ দিলে বাকি দু’ম্যাচে প্রতিপক্ষের বক্সে খুব একটা দাঁত ফোটাতে পারেনি ইয়ামাল, পেদ্রি, ফেরান টোরেসরা। উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে নিকো উইলিয়ামস, জেরেমি পিনো ও ভিক্টর মুনোজের চোট। পাশাপাশি, কোচ ফুয়েন্তের চিন্তাধারা স্প্যানিশ সমর্থকদের খুব একটা পছন্দ নয়। চলতি আসরে তাঁর কিছু সিদ্ধান্ত ছিল বিতর্কিত। যেমন রক্ষণাত্মক কেপ ভার্দের বিপক্ষে গাবিকে ‘ফলস উইঙ্গার’ হিসাবে খেলানো, কিংবা জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে খেলার সময়ও বদলি খেলোয়াড় নামাতে অতিরিক্ত দেরি করা। আমার ধারণা, উরুগুয়ের বিপক্ষে ফুয়েন্তে চেয়েছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থাকা মিকেল মেরিনো ও মার্কোস লরেন্তেকে ঝালিয়ে নিতে। তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। তাই আমি মনে করি, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে সেরা একাদশ মাঠে নামানো জরুরি। কারণ, একটিমাত্র ভুল মানেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায়। আর সে জন্য ড্যানি ওলমোকে শুরু থেকে খেলানো হোক। কারণ ‘নাম্বার ১০’ পজিশনে ও-ই সেরা খেলোয়াড়। রাইট-ব্যাক হিসাবে পেদ্রো পোরোকে রাখা উচিত। কারণ ইয়ামালের সঙ্গে ওর বোঝাপড়া চমৎকার।
এই ম্যাচে জিতলে সম্ভাব্য পরবর্তী প্রতিপক্ষ পর্তুগাল। পরীক্ষা ক্রমশ কঠিন হওয়ার আগে খেলার ধরন বা কৌশল ভালোভাবে ঝালিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। তাই আর পরীক্ষা নয়, এবার সেরা দলই নামাক মিস্টার ফুয়েন্তে।