Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

মহাযুতি জোটে ফাটল চওড়া, সিন্ধের গড়ে ‘জনতা দরবার’ বিজেপির মন্ত্রীর

মহাযুতি জোটে ফাটল চওড়া, সিন্ধের গড়ে ‘জনতা দরবার’ বিজেপির মন্ত্রীর
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
মুম্বই: মহারাষ্ট্রের শাসক মহাযুতি জোটে ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। সরকার গঠনের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে কার্যত মুখ দেখাদেখি নেই উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা নেতা একনাথ সিন্ধের! সেই টানাপোড়েন আরও বেড়েছে বনমন্ত্রী গণেশ নায়েকের ‘জনতা দরবার’কে কেন্দ্র করে। সোমবার সিন্ধের অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি থানেতে ‘জনতা দরবার’ করেন এই বিজেপি নেতা। শুধু তাই নয়, মার্চ মাসে থানেতে ফের এই জনসংযোগ অভিযান হবে বলেও জানিয়েছেন নায়েক। থানের কালেক্টর অফিসের সামনে বিশাল পোস্টার ঝুলিয়ে সেই অনুষ্ঠানের ঘোষণা করা হয়েছে। দিনদুয়েক আগেই সিন্ধে হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, ‘আমাকে হাল্কাভাবে নেবেন না।’ এর এর পরই সিন্ধের ঘাঁটিতে শরিক দলের নেতার কর্মসূচি ঘিরে তুমুল শোরগোল ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। 
Advertisement
নায়েক ও সিন্ধের রেষারেষি অবশ্য আজকের নয়। সিন্ধে যখন অবিভক্ত শিবসেনার থানে জেলার প্রধান ছিলেন, সেই সময়ে নবি মুম্বইয়ের রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন অবিভক্ত এনসিপির নেতা নায়েক। ১৯৯০-এর দশকেও প্রশাসনের সঙ্গে জনগণকেও যুক্ত করার লক্ষ্যে জনতা দরবার শুরু করেন তিনি। দলবদলের পর মহাযুতি সরকারের মন্ত্রী হওয়ার পরও একই পথে হাঁটছেন তিনি। এজন্য বিতর্ক হলেও নিজের ঘোষিত কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসার প্রশ্ন নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নায়েক। গত ৩ ফেব্রুয়ারি নবি মুম্বইয়ের ভাসি ও ২১ ফেব্রুয়ারি পালঘরের ধাঁচেই থানের মানুষের সমস্যা সমাধানই জনতা দরবারের একমাত্র উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন বনমন্ত্রী ঘনিষ্ঠরা। থানেতে বিজেপির এই প্রভাব বিস্তারের ঘটনায় জোটের ভিতরে অসন্তোষ দানা বাঁধলেও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সেভাবে মুখ খোলেননি সিন্ধেপন্থীরা। বরং থানে লোকসভার সাংসদ নরেশ মাস্কে বলেন, ‘মানুষ যদি তাঁর রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন, তাহলে আমরা কেন আপত্তি করব?’
মহারাষ্ট্রে জোট সরকারের দুই শরিকের টানাপোড়েনের মধ্যেই নজর কেড়েছে অন্য একটি ছবি। মুম্বইয়ে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের সঙ্গে হাসিমুখে আলাপচারিতায় দেখা যায় মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা প্রধান রাজ থ্যাকারেকে। পুরসভা নির্বাচনের আগে থ্যাকারে পরিবারের দুই ভাইয়ের ঘনিষ্ঠতায় নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছে রাজনৈতিক মহল।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ