সংবাদদাতা, হলদিয়া: মহিষাদল বাজারে সব্জি কিনছিলেন জয়েন্ট বিডিও’র স্ত্রী। ফুলকপির দরদামের সময় কথা কাটাকাটির জেরে সব্জি ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার পর সব্জি ব্যবসায়ীকে মহিষাদল থানার পুলিস তুলে নিয়ে গিয়ে হেনস্তাও করেছে বলে অভিযোগ। পুলিসি হেনস্তার জেরে ওই সব্জি ব্যবসায়ী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এনিয়ে ব্যসায়ী থানায় অভিযোগ করেছেন। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ব্লক প্রশাসনও অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় বাজার করতে গিয়েছিলেন জয়েন্ট বিডিওর স্ত্রী। তাঁর বাপেরবাড়ি আবার মহিষাদলেই। সব্জি ব্যবসায়ী লক্ষ্মীকান্ত বেরার দোকানে গিয়ে ফুলকপির দাম জিজ্ঞেস করেন। ওই সময় লক্ষ্মীকান্তবাবুর স্ত্রী উত্তরা বেরাও ছিলেন। সব্জি ব্যবসায়ীর স্ত্রীর অভিযোগ, তাঁর স্বামী ফুলকপির দাম প্রতি পিস ৭০ টাকা বলেন। ওই মহিলা ক্রেতা নিজেকে জয়েন্ট বিডিওর স্ত্রী পরিচয় দেন। তিনি ফুলকপির দাম প্রতি পিস ৫০ টাকা করে নিতে বলেন। কিন্তু, স্বামী তা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এরপরই তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে চলে যান। পরে পুলিস সিভিক ভলান্টিয়ার পাঠিয়ে স্বামীকে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত পর্যন্ত থানায় বসিয়ে রাখে।
মহিষাদল থানার ওসি নাড়ুগোপাল বিশ্বাস বলেন, জয়েন্ট বিডিওর স্ত্রী ফোন করে সব্জি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গালিগালাজ ও মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণের অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগ পেয়েই পুলিস জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই সব্জি ব্যবসায়ীকে ডেকে এনেছিল। তাঁকে হেনস্তা করার অভিযোগ ঠিক নয়।
মহিষাদলের জয়েন্ট বিডিও সত্যানন্দ সেনাপতি বলেন, আমার স্ত্রী ফুলকপি কেনার সময় ওই ব্যবসায়ীর কাছে দাম জানতে চেয়েছিল। কম দামে কেনার জন্য কোনওভাবে হুমকি বা চাপ দেওয়ার ঘটনাই ঘটেনি। বরং ওই সব্জি ব্যবসায়ী খারাপ আচরণ করেছিলেন। তাঁর দাবি, স্ত্রী নিজেকে জয়েন্ট বিডিওর ঘরনি বলে পরিচয় দেননি। মহিষাদলের বিডিও বরুণাশিস সরকার বলেন, ওই ঘটনার কথা নজরে এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
মহিষাদল থানার ওসি নাড়ুগোপাল বিশ্বাস বলেন, জয়েন্ট বিডিওর স্ত্রী ফোন করে সব্জি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গালিগালাজ ও মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণের অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগ পেয়েই পুলিস জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই সব্জি ব্যবসায়ীকে ডেকে এনেছিল। তাঁকে হেনস্তা করার অভিযোগ ঠিক নয়।
মহিষাদলের জয়েন্ট বিডিও সত্যানন্দ সেনাপতি বলেন, আমার স্ত্রী ফুলকপি কেনার সময় ওই ব্যবসায়ীর কাছে দাম জানতে চেয়েছিল। কম দামে কেনার জন্য কোনওভাবে হুমকি বা চাপ দেওয়ার ঘটনাই ঘটেনি। বরং ওই সব্জি ব্যবসায়ী খারাপ আচরণ করেছিলেন। তাঁর দাবি, স্ত্রী নিজেকে জয়েন্ট বিডিওর ঘরনি বলে পরিচয় দেননি। মহিষাদলের বিডিও বরুণাশিস সরকার বলেন, ওই ঘটনার কথা নজরে এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।



