সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহের রতুয়া-১ ব্লকের মহানন্দটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নাকাট্টি সাহানগর গ্রামে বর্ষবরণের রাতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেল তিনটি পরিবারের ঘর। নতুন বছরের খুশি ম্লান অগ্নিকাণ্ডে।
Advertisement
মঙ্গলবার গভীর রাতে পরিযায়ী শ্রমিক সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে আগুন লাগে। তারপর তাঁর বাবা এবং ভাইয়ের বাড়িতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। খবর দেওয়া হয় চাঁচল দমকল কেন্দ্রে। তবে দমকল বাহিনী পৌঁছনোর আগেই আগুনে পুড়ে যায় তিনটি পরিবারের ছয়টি বাড়ি। বাড়ির আসবাবপত্র, মজুত খাদ্য সামগ্রী, নথিপত্র পুড়ে নষ্ট। কনকনে শীতে খোলা আকাশের নীচে ঠাঁই নিয়েছে পরিবারগুলি। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত সুনীল বলেন, আগুন লাগার সময় আমরা বাড়িতে ছিলাম না। আমার বাড়ি তালাবন্ধ ছিল। আগুন কীভাবে লাগল বুঝতে পারছি না। আমার বাড়ি থেকে বাবা ও দাদার বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক্ষতিগ্রস্ত দুলাল মণ্ডল বলেন, আমি রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখে প্রাণ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসি। আমার ছেলে সুনীলের বাড়ি থেকে আমার বাড়ি এবং ছেলে অশোকের বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ছেলেরা প্রত্যেককেই পরিযায়ী শ্রমিক। সরকারের কাছে সহযোগিতার আর্জি জানাচ্ছি। চাঁচল দমকলের এক আধিকারিক জানান, সাহানগর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের ক্ষতি হয়েছে। দমকল বাহিনী পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত সুনীল বলেন, আগুন লাগার সময় আমরা বাড়িতে ছিলাম না। আমার বাড়ি তালাবন্ধ ছিল। আগুন কীভাবে লাগল বুঝতে পারছি না। আমার বাড়ি থেকে বাবা ও দাদার বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক্ষতিগ্রস্ত দুলাল মণ্ডল বলেন, আমি রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখে প্রাণ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসি। আমার ছেলে সুনীলের বাড়ি থেকে আমার বাড়ি এবং ছেলে অশোকের বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ছেলেরা প্রত্যেককেই পরিযায়ী শ্রমিক। সরকারের কাছে সহযোগিতার আর্জি জানাচ্ছি। চাঁচল দমকলের এক আধিকারিক জানান, সাহানগর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের ক্ষতি হয়েছে। দমকল বাহিনী পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।



