নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: সদ্যোজাতের মুণ্ড খুবলে খেল কুকুর! রবিবার সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কিরণ চন্দ্র শ্মশান সংলগ্ন মহানন্দা নদীর ঘাটে। পরে সেই মুণ্ড উদ্ধার করে প্রধাননগর থানার পুলিস। তাদের সন্দেহ, শ্মশানের পাশে নদীর চরে পুঁতে রাখা হয়েছিল সদ্যোজাতের মৃতদেহ। সম্ভবত সেখান থেকেই মৃতদেহের মুণ্ড নিয়ে টানাহেঁচড়া করে কুকুর। এদিন বিকেল পর্যন্ত সেই মুণ্ড শনাক্ত হয়নি। এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বিকল শ্মশানঘাট চত্বরের ১৮টি সিসি ক্যামেরাই। এই ঘটনায় পুর কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠেছে।
Advertisement
ছটপুজো শেষে মহানন্দার ছটঘাট পরিষ্কার করছে পুরসভা। এজন্য ঘাটে আর্থমুভার নামানো হয়েছে। এজন্য চরের মাটি কিছুটা আলগা হয়েছে। এই অবস্থায় এদিন শ্মশানঘাটের জলের ট্যাঙ্কের কাছে সদ্যোজাতের মুণ্ড খুবলে খাচ্ছিল কুকুর। চাঞ্চল্যকর এই খবর চাউর হতেই সেখানে ভিড় করেন উৎসাহী বাসিন্দারা। খবর পেয়ে প্রধাননগর থানার পুলিস ও স্থানীয় কাউন্সিলার ঘটনাস্থলে যান। পুলিস মুণ্ডটি উদ্ধার করে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সংশ্লিষ্ট এলাকা পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের অধীনে। স্থানীয় কাউন্সিলার তৃণমূল কংগ্রেসের সঞ্জয় পাঠক বলেন, সম্ভবত নদীর চরে সদ্যোজাতের মৃতদেহ পোঁতা ছিল। ছটপুজোর পর ঘাট পরিষ্কার করার পর ঘাটের মাটি কিছুটা আলগা হয়েছে। হয়ত সেখান থেকেই সদ্যোজাতের দেহের মাথার অংশ তুলেছে কুকুর।
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, সদ্যোজাতের মাথার ওই অংশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। কোথা থেকে কীভাবে সেই মুণ্ড এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, বিভিন্ন মহলের দাবি মতো অনেকদিন আগেই সিসি ক্যামেরায় মোড়া হয় সংশ্লিষ্ট শ্মশানঘাট চত্বর। স্থানীয় কাউন্সিলার বলেন, দীর্ঘদিন আগে এখানে ১৮টি ক্যামেরা বসানো হলেও সেগুলি সচল নেই। যার জেরে মুণ্ড উদ্ধারের ঘটনার তদন্ত ব্যাহত হচ্ছে। পুরসভার বিদ্যুৎ বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য কমল আগরওয়াল অবশ্য বলেন, স্থানীয় কাউন্সিলারের সঙ্গে কথা হয়েছে। ক্যামেরা খারাপ নেই। ইঁদুর মনিটর রুমের তার কেটে দেওয়ায় সমস্যা হয়েছে।
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, সদ্যোজাতের মাথার ওই অংশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। কোথা থেকে কীভাবে সেই মুণ্ড এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, বিভিন্ন মহলের দাবি মতো অনেকদিন আগেই সিসি ক্যামেরায় মোড়া হয় সংশ্লিষ্ট শ্মশানঘাট চত্বর। স্থানীয় কাউন্সিলার বলেন, দীর্ঘদিন আগে এখানে ১৮টি ক্যামেরা বসানো হলেও সেগুলি সচল নেই। যার জেরে মুণ্ড উদ্ধারের ঘটনার তদন্ত ব্যাহত হচ্ছে। পুরসভার বিদ্যুৎ বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য কমল আগরওয়াল অবশ্য বলেন, স্থানীয় কাউন্সিলারের সঙ্গে কথা হয়েছে। ক্যামেরা খারাপ নেই। ইঁদুর মনিটর রুমের তার কেটে দেওয়ায় সমস্যা হয়েছে।



